বেঙ্গল ওয়াচ নিউজ ডেস্ক:সকাল থেকে আকাশ তুলনামূলক পরিষ্কার। ঠান্ডা না থাকলেও বাতাসে শিরশিরানির অনুভূতি রয়েছে। তাপমাত্রা অনেক জায়গাতেই শুক্রবারের থেকেও কিছুটা কমেছে। এদিন দক্ষিণবঙ্গের কোনও কোনও জায়গায় হাল্কা বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। দুই-এক জায়গায় বজ্রবিদ্যুতের সতর্কতাও জারি করা হয়েছে।

 

রবিবার ও সোমবার পশ্চিমের জেলাগুলির কোনও কোনও জায়গায় হাল্কা বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনবা রয়েছে। রবিবার পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রামের কোনও কোনও জায়গায় বৃষ্টিপাত হতে পারে। সোমবার পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, পশ্চিম বর্ধমানের কোনও কোনও জায়গায় হাল্কা বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা। ২৭ ফেব্রুয়ারি অর্থাৎ মঙ্গলবার পশ্চিমের জেলাগুলিতে হাল্কা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে।

শনিবার সকালে আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, এদিন উত্তরবঙ্গের সবকটি জেলারই কোথাও না কোথাও বজ্রবিদ্যুৎ-সহ হাল্কা বৃষ্টি হতে পারে। পরবর্তী ২৪ ঘন্টা অর্থাৎ রবিবারের আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, শুধুমাত্র দার্জিলিংয়ে হাল্কা বৃষ্টি হতে পারে। এছাড়া বাকি জেলাগুলির আবহাওয়া শুকনো থাকবে। আপাতত জেলাগুলিতে রাতের তাপমাত্রার পরিবর্তনের তেমন কোনও পূর্বাভাস নেই।

শনিবার সকালে দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলির আবহাওয়ার পূর্বাভাসে জানানো হয়েছে, এদিন উত্তরবঙ্গের মতোই দক্ষিণবঙ্গের সবকটি জেলার কোথাও না কোথাও বজ্রবিদ্যুৎ-সহ হাল্কা বৃষ্টি হতে পারে। পরবর্তী ২৪ ঘন্টা অর্থাৎ রবিবারের আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, পূর্ব মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, পশ্চিম মেদিনীপুরে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ হাল্কা বৃষ্টি হতে পারে। এছাড়া বাকি জেলাগুলির আবহাওয়া শুকনো থাকবে। দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতেও আপাতত রাতের তাপমাত্রার পরিবর্তনের তেমন কোনও পূর্বাভাস নেই।

শনিবার সকালে আবহাওয়া দফতর ( West Bengal Weather) জানিয়েছে, আগামী ২৪ ঘন্টায় কলকাতার আকাশ অংশত মেঘলা থাকার সম্ভাবনা। সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন তাপমাত্রা থাকতে পারে ২৯ ও ২১ ডিগ্রি সেলসিয়াসের আশপাশে। কোনও কোনও জায়গায় হাল্কা বৃষ্টিপাতও হতে পারে। তবে রবিবার থেকে কয়েকটি শুকনো থাকলেও আংশিক মেঘলা আকাশ থাকার সম্ভাবনা।

শনিবার সকালের কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২০.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা স্বাভাবিকের থেকে এক ডিগ্রি বেশি। শুক্রবার যা ছিল ২০.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আপেক্ষিক আর্দ্রতা সর্বোচ্চ ৯১ শতাংশ এবং সর্বনিম্ন ২০.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। গত ২৪ ঘন্টায় কোনও বৃষ্টি হয়নি।

হঠাৎ করে তাপমাত্রা বেড়ে গিয়ে বৃষ্টি ও তাপমাত্রা হ্রাস নিয়ে আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, এবারের ফেব্রুয়ারি সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন তাপমাত্রা বেশি ছিল। বঙ্গোপসাগর থেকে ঢোকা জলীয় বাষ্পের পরিমাণও বেশি ছিল। আর যে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টি হচ্ছে, তা স্থানীয়ভাবে হচ্ছে। যে কারণে তা বেশিক্ষণ স্থায়ীও হচ্ছে না।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *