বেঙ্গল ওয়াচ নিউজ ডেস্ক: বিহারের ঔরঙ্গাবাদে মঞ্চে প্রধানমন্ত্রী মোদী। সেখানেই মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমার বলেন, বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমার বলেন, তিনি (প্রধানমন্ত্রী মোদী) আগেও বিহারে এসেছিলেন।

 

কিন্তু তাঁরা (জেডিইউ) সেই সময় ছিলেন না। কিন্তু এবার তিনি আশ্বস্ত করছেন, এদিক-ওদিক আর কোথাও যাবেন না। তাঁর (প্রধানমন্ত্রী মোদী ও বিজেপি) সঙ্গেই থাকবেন। সেই সময় প্রধানমন্ত্রী মোদী হাসতে শুরু করেন।

এনিয়ে প্রতিক্রিয়া দিতে গিয়ে জন সুরজের প্রতিষ্ঠাতা প্রশান্ত কিশোর বলেছেন, জনগণের যদি কিছুটাও রাজনীতি বোধ থাকে, তাহলে তিনি পরিষ্কার করপতে চান, বিহারে জোট গঠন করে আবারও জনগণকে ঠকানোর চেষ্টা করা হচ্ছে।

প্রশান্ত কিশোর বলেছেন, ২০১৫ সালে বিহারের মানুষ নীতীশ কুমারকে ভোট দিয়েছিলেন। কিন্তু ২০১৭-তে এই লোকটি জনগণের সঙ্গে প্রতারণ করে পালিয়েছিল। বিহারের মানুষ এই লোকটিকে আবার ভোট দিলে আবার ঠকিয়ে পালিয়ে যাবেন বলে কটাক্ষ করেছেন প্রশান্ত কিশোর। নীতীশ কুমার যে ভবিষ্যতে ফের জোট পরিবর্তন করবেন, সে ব্যাপারে নিশ্চিত জন সুরজের প্রতিষ্ঠাতা। প্রশান্ত কিশোর বলেছেন, তিনি নীতীশ কুমারের সঙ্গে ছিলেন। তাই তাঁর থেকে নীতীশ কুমারকে কেউ ভাল করে চেনেন না।

বিজেপিকে নিয়ে মন্তব্য করতে তিনি বলেছেন, যখন সিএএ ও এনআরসি নিয়ে আন্দোলন চলছে, তখন বাংলায় তাদেরকে আটকালো কেয বিহারের কোন সাহসী লোক বাংলায় যুদ্ধ করতে গিয়েছিল? লালু যাদব, তেজস্বী যাদব নাকি নীতীশ কুমার? কেউ যায়নি। তাঁরাই গিয়ে লড়াই করেছিলেন।

ভোট কুশলী বলেছেন, বিজেপি যদি ২০২১-এ বাংলায় জিতে যেত, তাহলে সাধারণ মানুষ এখনই কাতারে কাতের দাঁড়িয়ে ফর্ম পূরণ করতেন। কিন্তু তারা বিজেপিকে পরাজিত করেছেন। তিনি বলেছেন, যদি বেলুনে বাতাস ভরে থাকেন, তাহলে তা বের করে নেওয়া হবে। বিজেপি সেই সময় বাংলায় পুরো শক্তি প্রয়োগ করেও জিততে পারেনি। বিহারের মানুষের কাছে প্রশান্ত কিশোরের আবেদন গত ৩০ বছর ধরে অন্যদিকে সঙ্গে রয়েছেন, কিন্তু তিন বছর তাঁকে বিশ্বাস করুন, তিনিই পরিস্থিতির পরিবর্তন করবেন।

দিন কয়েক আগে প্রশান্ত কিশোর বলেছিলেন, বিজেপি বিরোধীদের বিরুদ্ধে মনস্তাত্ত্বিক যুদ্ধ জয়ে নীতীশ কুমারকে ফেরত নিয়ে এসেছে। নীতীশ কুমারের এনডিএ-তে ফেরার ফলে বিজেপির ক্ষতি হবে বলে ভবিষ্যদ্বাণী করেছিলেন তিনি। প্রশান্ত কিশোর ভবিষ্যদ্বাণী করে বলেছিলেন, বিজেপি নিজেরা সারা দেশে ৩৭০ টি আসন পাবে না।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *