বেঙ্গল ওয়াচ নিউজ ডেস্ক:একে একে ভিড় জমা শুরু হয়েছে প্রয়াত টুটু বসুর বাড়িতে। টুটু বোসকে শ্রদ্ধা জানাতে তাঁর বাসভবনে যান বিধায়ক ফিরহাদ হাকিম। তিনি বলেন, “আমার কাছে দীর্ঘদিন টুটুদার আলাপ। ক্রীড়াপ্রেমী হিসেবে তাঁর কাছে যাওয়া। মনখারাপ হলে তাঁর কাছে এলে উচ্ছ্বসিত হয়ে যেতাম। উনি নেই ভাবতেই কষ্ট হচ্ছে। টুটুদার অবদান লিখে শেষ হবে না।” টুটু বোসকে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে বাসভবনে উপস্থিত বিমান বসু। পুত্র সৃঞ্জয় বোসের সঙ্গে কিছুক্ষণ কথা বলেন বামফ্রন্ট চেয়ারম্যান। তিনি বলেন, “টুটুর সঙ্গে আমার কবে থেকে পরিচিত বলা মুশকিল। সবসময় খোলা মনে কথা বলত। আজ এই খোলা মনটা পাওয়া দুর্লভ। এরকম মানুষ সবাই হয় না। অনেকের অর্থ থাকে, সেই মনটা থাকে না। ওঁর দুটোই ছিল।”

বালিগঞ্জের বাসভবনে টুটু বোসকে শ্রদ্ধার্ঘ্য জানালেন মুনমুন সেন, তাঁর কন্যা রাইমা সেন। শ্রদ্ধা জানান বিধায়ক স্বপন দাশগুপ্ত এবং প্রাক্তন ফুটবলার সুব্রত ভট্টাচার্য। দীর্ঘদিন মোহনবাগানের হয়ে খেলা ফুটবলার বলেন, “উনি যেভাবে আন্তরিকতার সঙ্গে মোহনবাগানের সেবা করেছেন, তা ভোলা যায় না। টুটুবাবু এতো কাজ করেছেন, তা বলে শেষ হবে না। ওঁর প্রয়াণ একটা বড় ক্ষতি। বিশেষ করে ওঁর পরিবারের জন্য।” শোকপ্রকাশ করেছেন নারী ও শিশু কল্যাণ দপ্তর এবং পুর ও নগরোন্নয়ন বিষয়ক দপ্তরের মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পল। শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছেন তিনি। পরিবারের তরফ থেকে নাতি অরিঞ্জয় বোস জানান, “দাদু ছিলেন সবার কাছে দাদার মতো। রাজার মতো যেমন মোহনবাগান ক্লাব সামলেছেন, তেমনই ব্যবসা করেছেন। আমাদের পরিবারের উপর ছিলেন বটবৃক্ষ। চলে যাওয়াটাও রাজার মতো। সোমবার দুপুরে পরোটা, পায়েস খেয়েছেন। দুপুরবেলা ঘুমিয়েছেন। বিকেলে অসুস্থ হয়েছেন। এরচেয়ে রাজকীয় অধ্যায় আর কী হতে পারে। বাড়ি থেকে মোহনবাগান ক্লাবে নিয়ে যাওয়া হবে। সভ্যসমর্থকরা শেষ শ্রদ্ধা জানাবেন। তারপর ভবানীপুর ক্লাব ও সংবাদ প্রতিদিন দপ্তরে নিয়ে যাওয়া হবে।”সোশাল মিডিয়ায় সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় লিখেছেন, মোহনবাগান ক্লাবের প্রাক্তন সভাপতি প্রাক্তন সাংসদ টুটু বসুর প্রয়াণে আমি গভীরভাবে শোকাহত।’ শোকবার্তা জানানো হয়েছে তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে। টুটু বোসের প্রয়াণে শোকবার্তা প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। সোশাল মিডিয়ায় তিনি লিখেছেন, ‘বর্ষীয়ান ক্রীড়া প্রশাসক, মোহনবাগান ক্লাবের প্রাক্তন সচিব, প্রাক্তন সভাপতি এবং প্রাক্তন সাংসদ স্বপন সাধন বসু (টুটু বসু)-এর প্রয়াণে আমি গভীরভাবে মর্মাহত।”

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *