বেঙ্গল ওয়াচ নিউজ ডেস্ক: এবার সোজাসুজি অভিষেককে চিনতেই অস্বীকার করলেন ঋতব্রত। ব্যাপারটা চমকে দেওয়ার মতো। গতকালই নতুন তৃণমূল কমিটি গঠন করেছেন ঋতব্রতরা। সেই কমিটিতে স্থান পাননি খোদ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ই। তাঁকে সরিয়ে চেয়ারম্যান করা হয়েছে অরূপ রায়কে। এই বিষয়ে সাংবাদিক বৈঠকে ঋতব্রত জানিয়েছেন, সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেসের স্পেশাল সেশনে যাঁরা উপস্থিত ছিলেন, তাঁরা সর্বসম্মতিতে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এদিকে, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে বহিষ্কারের প্রসঙ্গে ঋতব্রতকে সাংবাদিক বৈঠকে জিজ্ঞাসা করা হলে প্রথমে অভিষেককেই চিনতে অস্বীকার করেন তিনি। প্রশ্ন তোলেন, ‘কে অভিষেক?’
অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে (Abhishek Banerjee) দল থেকে বহিষ্কার করেছে ‘আসল’ তৃণমূল (TMC)। আর দল থেকে বহিষ্কার করেই সাংসদের নতুন নাম দিলেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় (Ritabrata Banerjee)। অভিষেকের চাটার্ড বিমানে দিল্লি যাত্রা ঘিরে কয়েকদিন ধরেই বিতর্ক তৈরি হয়েছে। এই নিয়ে আগেও খোঁচা দিয়েছেন।
এবার সেই বিতর্ককেই ফের উস্কে দিয়ে অভিষেককে কটাক্ষ করে নতুন নাম দিলেন আসল তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক। এমনকী, অভিষেককে চিনতেও অস্বীকার করলেন উলুবেড়িয়া পূর্বের বিধায়ক। ঋতব্রত বলেন, “অভিষেক কে? যে চোর পিটুনি খায়। তাঁকে নিয়ে সময় ব্যয় করতে নারাজ আমি।” তাঁকে নিয়ে কোনও আলোচনাই হয়নি বলে জানিয়েছেন ঋতব্রত। একইসঙ্গে সাংবাদিক বৈঠকের একদম শেষে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে ‘চার্টার্ড অভিষেক’ বলে কটাক্ষ করেছেন বিরোধী দলনেতা।খরচে চাটার্ড ফ্লাইটে দিল্লি যান অভিষেক। এমনই অভিযোগ উঠছে। যা নিয়ে জোর বিতর্ক চলছে। এই বিষয়ে আগেও অভিষেককে বিঁধেছিলেন ঋতব্রত। বলেছিলেন, “এটার মধ্যে অবাক হওয়ার কী রয়েছে? উনি তো সাধারণ ফ্লাইটে চড়েন না। আমার তো খেয়াল পড়ছে না, উনি শেষ কবে সাধারণ ফ্লাইটে চড়েছেন। ওনার সঙ্গে চার্টার্ড ফ্লাইটটা সমার্থক। চার্টার্ড ফ্লাইটে দিনে গড়ে দেড় কোটি টাকা লাগে। আজকে গিয়ে কাল যদি ফেরেন, তিন কোটি টাকা খরচ হবে। যদি তিনদিন থাকেন, তবে সাড়ে চার কোটি টাকা। চারদিন থাকলে ৬ কোটি টাকা। এটা দিল্লি যাওয়ার খরচ।”
