বেঙ্গল ওয়াচ নিউজ ডেস্ক:সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতা হওয়ার নজির। আর সেই নজিরের ম্যাচেই অস্ট্রিয়াকে ২-০ গোলে হারিয়ে বিশ্বকাপের নকআউটে নিজেদের স্থান নিশ্চিত করে ফেলল নীল-সাদা ব্রিগেড। প্রত্যাশিতভাবেই জোড়া গোলে চাপা পড়ে গেল এল এম টেনের পেনাল্টি মিসের ব্যর্থতাও। বিশ্বকপে নিজেদের প্রথম ম্যাচে আলজেরিয়াকে ৩-০ গোলে উড়িয়ে দেওয়ার পর এই আর্জেন্টিনাকে নিয়ে প্রত্যাশা একধাক্কায় অনেকটা বেড়ে গিয়েছিল। সোমবার অস্ট্রিয়ার বিরুদ্ধে শুরুটাও আক্রমণাত্মক মেজাজে, নিজেদের চেনা ছন্দে করেছিলেন লিও মেসি, লউতারো মার্টিনেজরা। ম্যাচের প্রথম মিনিট কয়েকের মধ্যেই গোটা দুই পরিষ্কার সুযোগও তৈরি হয়ে গিয়েছিল। যার মধ্যে দ্বিতীয়টি পেনাল্টি স্পট থেকে। আর্জেন্টিনার স্ট্রাইকার মার্টিনেজকে একসঙ্গে জোড়া ট্যাকল করেন অস্ট্রিয়ার দুই ডিফেন্ডার। প্রথমে পেনাল্টি দেওয়া হয়নি। পরে ভিডিও অ্যাসিস্ট্যান্ট রেফারি ওই ট্যাকলকে ফাউল বলে চিহ্নিত করেন। পেনাল্টি পায় আর্জেন্টিনা।
পেনাল্টি স্পটে লিও মেসি যখন বল বসাচ্ছিলেন, গোটা বিশ্ব তখন মাহেন্দ্রক্ষণের প্রতিষ্ঠায়। এই বুঝি জালে বল জড়িয়ে বিশ্বকাপের সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ গোলদাতার শিরোপাটি নিজের মাথায় তুলে নেবেন ফুটবল রাজপুত্র। কিন্তু হায়! এ হেন সাজানো মঞ্চে হৃদয়ভঙ্গের আখ্যান। মেসি পেনাল্টি কিকটা নিলেন বিশ্রীভাবে। বল টার্গেটেও রাখতে পারলেন না। সেসময় মনে হয়েছিল, ওই পেনাল্টি মিসই বুঝি ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণ করে দেবে। কিন্তু মেসি অন্যরকম পরিকল্পনা করে রেখেছিলেন। ওই পেনাল্টি মিসের আধ ঘণ্টার মধ্যে একটা ম্যাজিক্যাল মুহূর্তে নিজের নাম ইতিহাসে তুলে ফেললেন তিনি। ম্যাচের ৩৮ মিনিটে ডান প্রান্ত থেকে আসা মাইনাসকে যেই না স্বভাবসিদ্ধ নিখুঁত দক্ষতায় জালে জড়ালেন মেসি, অমনি গোটা স্টেডিয়াম যেন উচ্ছ্বাসে ফেটে পড়ল। যেমন বাঁধনহারা উচ্ছ্বাসে মাতলেন বিশ্বজুড়ে লিও ভক্তরা।
