বেঙ্গল ওয়াচ নিউজ ডেস্ক: রীতিমত সাংবিধানিক সংকট তৈরী হয়েছে। এমন পরিস্থিতি আগে কখনো হয়েছিল কিনা জানা নেই। মমতার দাবি, তিনি হারেননি। ভোট লুঠ হয়ে গিয়েছে। সোমবারই গণনা কেন্দ্র থেকে বেরনোর পর তিনি বলেছেন, প্রায় ১০০ বুথের ভোট লুঠ হয়েছে। এরপর আজ সাংবাদিক বৈঠক থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় স্পষ্টত জানিয়েদেন তিনি ইস্তফা দেবেন না। গতকালের পরাজয়ের পর আজ প্রথম মুখ খোলেন মমতা। সাংবাদিকরা তাঁকে প্রশ্ন করেন আপনি কী রাজভবন যাবেন? তখনই ক্ষুব্ধ প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “কেন যাব রাজভবনে ? আমি যদি শপথ নিতে যেতাম তাহলে যেতাম। ওরা দখল করেছে । ভেবেছে আমি পদত্যাগ করতে যাব ? আমি যাব না আমি কেন যাব ? আমরা ভোট হারিনি। আমি ইস্তফা দেব না।”
মমতার আরও দাবি, তাঁকে গণনাকেন্দ্র থেকে মারধর করতে-করতে বের করে দেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, “কাউন্টিং এজেন্টদের মারধর করে বের করে দেওয়া হয়েছে। বিজেপি আমাকে পেটে মেরেছে। পিছন থেকে ধাক্কা দিয়েছে। ধাক্কা দিতে দিতে মারতে মারতে বের করেছে। মহিলা হওয়ার পর আমার সঙ্গে কীভাবে ব্যবহার করেছে এবং অত্যাচার করেছে। আমি ঘুরে দাঁড়াব, বাঘের মতো লড়াই করেছি।” প্রাক্তন আমলা জহর সরকার বলেন, “বিধানসভার মেয়াদ আছে। আইনগত মেয়াদ শেষ হবে। আর যেদিন সেটা শেষ হবে তার অস্তিত্ব টিকবে না। নতুন বিধানসভা গঠনের পরিস্থিতি পরিকল্পনা শুরু হবে। এই বিধানসভার যিনি নেত্রী ছিলেন, তাঁর যেই মুহূর্তে বিধানসভার মেয়াদ ফুরনো আসন চলে যাচ্ছে।” তিনি আরও বলেন, “নির্বাচন প্রক্রিয়ার অঙ্গ। এখনও কমিশন হিসাব নিকেশ করে তারপর তার কপি সিল মেরে পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভাকে পাঠাবে। বিধানসভায় পাওয়ার পর শুরু হবে তাঁদের প্রক্রিয়া। তারা জানে একটা বিধানসভা সেশনের আয়ু ফুরিয়েছে। তখন তারা সার্টিফিকেট অব ইলেকশন ইস্যু করবেন নতুন বিধায়কদের। তখন প্রশ্ন উঠবে, পুরনো আমলের বিধায়ক মানছেন কি মানছেন না।”
