বেঙ্গল ওয়াচ নিউজ ডেস্ক: উত্তরপ্রদেশ বিহার ও বাংলা এই তিন প্রদেশের উপর দিয়েই প্রবাহিত হয়েছে পবিত্র গঙ্গা। আর সেই তিন প্রদেশ এখন বিজেপির দখলে। স্বাভাবিক কারণেই ভীষণ খুশি প্রধানমন্ত্রী। আর সেই কারণেই বঙ্কিমচন্দ্রের ‘বন্দে মাতরম’ নিয়েও উদ্বেলিত বিজেপি। বন্দে মাতরমকে জাতীয় সংগীত জনগণমন-র সমমর্যাদায় উন্নীত করার সিদ্ধান্ত নিল নরেন্দ্র মোদীর মন্ত্রিসভা। বন্দে মাতরম গাওয়ার ক্ষেত্রে কোনওরকম অনীহা, অসম্মান করলে হতে পারে আর্থিক জরিমানা। এমনকি তিন বছরের জেলও। ন্যাশনাল অনার অ্যাক্ট অনুযায়ী এতদিন জাতীয় পতাকা, সংবিধান এবং জাতীয় সংগীত জনগণমনকে অসম্মান করলে আর্থিক জরিমানা এবং জেলে পাঠানোর আইনি সংস্থান ছিল। এবার এই আইনের সেকশন ৩ সংশোধন করে বন্দে মাতরমকেও সমমর্যাদায় উন্নীত করার সিদ্ধান্তে সিলমোহর দিল কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা। রাষ্ট্রীয় গীত বন্দে মাতরম গাওয়ার ক্ষেত্রে কী কী পালন করা হবে সেই সংক্রান্ত বিস্তারিত নির্দেশিকা গত জানুয়ারি মাসে জারি করেছিল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক।
বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের লেখা গানের ৬টি স্তবকই গাওয়া বাধ্যতামূলক করা হয়েছিল। এবার বন্দে মাতরমকে জাতীয় সংগীতের সমমর্যাদায় উন্নীত করার সিদ্ধান্ত নিল কেন্দ্র। বিজেপির বাংলা জয়ের পর কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার প্রথম ক্যাবিনেট বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।বন্দে মাতরমের সার্ধশতবর্ষ দেশজুড়ে পালনের সিদ্ধান্ত নিয়েছিল কেন্দ্র। এমনকি, সংসদেও বন্দে মাতরম নিয়ে আলোচনা হয়। চলতি বছরের জানুয়ারিতে অমিত শাহর কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক একটি নির্দেশিকাও জারি করে। সেই নির্দেশিকায় বলা হয়, জাতীয় সংগীত ‘জনগণমন’-র মতো এবার থেকে সরকারি অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রীয় গীত ‘বন্দে মাতরম’ গাওয়া এবং বাজানো বাধ্যতামূলক করা হল।
