ঋতব্রতদের বিরুদ্ধে তীব্র হুঙ্কার কুনাল ঘোষের
ঋতব্রতরা নিজেরা অরূপ রায়কে প্রেসিডেন্ট করে নয়া তৃণমূল গঠন করলে আর থেমে থাকে নি কুনাল ঘোষ। নিউটাউনের পাঁচাতারা হোটেলে বৈঠক। তারপরই আত্মপ্রকাশ নতুন তৃণমূলের। নাম রয়েছে তৃণমূল। অথচ সুপ্রিমো নন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ছবিও নেই তাঁর। এরপর আবার গঠন হয়ে গেল কমিটি। যার চেয়ারপার্সন অরূপ রায়। মূলত, উলুবেড়িয়া পূর্বের বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বেই তৈরি নতুন তৃণমূল ব্লক আত্মপ্রকাশ করল আজ। তারপর তৈরি হল কমিটি। এবার এই নিয়েই মুখ খুললেন কালীঘাটপন্থী তৃণমূলের মুখপাত্র কুণাল ঘোষ (Kunal Ghosh)। বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে বেলাগাম আক্রমণ শানালেন তিনি। এ দিন কুণাল বলেন, “এই গদ্দারগুলি কুনকি হাতির মতো আচরণ করছে। সংখ্যাতত্ত্ব যাই বলুন আমরা বিচলিত নই। আমরা জানি মানুষের দরবারে গদ্দারদের কেরিয়ার শেষ। গদ্দারদের কেরিয়ার শেষ…আর একবার মানুষের দরবারে গেলে এদের কেউ ভোট দেবে না।” তাঁর আরও সংযোজন, “পাঁচটা আঙুল পাঁচটা আকৃতির হতে পারে। কিন্তু মুষ্টি বানিয়ে আপনারা গদ্দারি করে ছেড়ে দিলেন। আপনাদের দেওয়া চ্যালেঞ্জ স্বীকার করলাম। কারণ আমাদের নেত্রীর নাম মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।”
তৃণমূল তৈরি করার পিছনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অবদান এবং তাঁর পরিশ্রমের কথা ফের একবার মনে করিয়ে কুণাল ঘোষ বলেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই বয়সেও অক্লান্ত পরিশ্রম করেছেন এদের জেতাতে। কতগুলি লোককে প্রতিষ্ঠা করে দিয়েছেন। আজ যে লোকগুলি বলছে তাঁর হাত থেকে দলের প্রতীক কাড়বে, আইনের লড়াই পরে হবে আগে ভগবানের দরবারে বিচার হবে। এরা মায়ের পেটে ছুরি মারতে পারে যা মানসিকতা।” ঋতব্রতদের উপর ক্ষুব্ধ কুণাল বলেন, “যে মহিলার আন্দোলনকে নিংড়ে নিয়ে এরা নিজেদের সামাজিক, পারিবারিক, ব্যক্তি, রাজনৈতিক, প্রশাসনিক প্রতিষ্ঠা নিয়েছে তার পিঠে ছুরি মারছে। এদের কেউ বিশ্বাস করবেন না। আমি সকলকে বলছি না। অনেকে ভয়ে চাপে আছেন। আমরা হতে পারি সংখ্যায় কম। কিন্তু গর্বিত আমাদের সঙ্গে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আছেন।”
