দলীয় কার্যালয় ভাঙচুর

0
58

নিজস্ব প্রতিনিধি : দলীয় কার্যালয় ভাঙচুর করার অভিযোগকে কেন্দ্র করে তৃণমূল কংগ্রেসের দুই গোষ্ঠী মাদার-যুব’র কর্মী সমর্থকদের মধ্যে উত্তেজনা ছড়াল।

শনিবার সকালে দিনহাটা ১ নং ব্লকের ভেটাগুড়ি বাজারে pমাদার গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে দলীয় কার্যালয় ভাঙচুর করার অভিযোগ করে যুব গোষ্ঠীর কর্মী সমর্থকরা। ওই ঘটনায় অভিযুক্ত মাদার গোষ্ঠীর কর্মী সমর্থকদের গ্রেপ্তারের দাবী তুলে কোচবিহার-দিনহাটা সড়কে ভেটাগুড়ি বাজার এলাকায় রাস্তা অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখায় যুব’রা।

ওই ঘটনার খবর পেয়ে দিনহাটা থানার আইসি সঞ্জয় দত্ত সহ বিশাল পুলিশ বাহিনী ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন। দীর্ঘ দেড় ঘন্টা পথ অবরোধ করার পর পুলিশের আশ্বাসে ওই পথ অবরোধ তুলে নেওয়া হয়। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

তৃণমূল যুব কংগ্রেসের দাবী, গতকাল রাতে নিশীথ প্রামানিকের বহিষ্কারের খবর ছড়িয়ে পড়তেই মাদার তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতী মন্তেশ্বর বর্মণ, উত্তম বর্মণ, সুনীল রায় সরকারের নেতৃত্বে ভেটাগুড়ি ২ নং গ্রাম পঞ্চায়েতের বিভিন্ন এলাকায় যুব কর্মীদের বাড়িতে বোমা ছোঁড়েন। এবং আজ সকালে ভেটাগুড়ি সব্জি বাজার সংলগ্ন এলাকায় তৃণমূল যুব কংগ্রেসের পার্টি অফিস দখল করার জন্য ৭০-৮০ জন লোক নিয়ে আসেন।

সেই খবর পাওয়া মাত্র আমরা যখন পার্টি অফিসের দিকে যাই। তখন তারা আমাদের পার্টি অফিসের চেয়ার টেবিল, মমতা বন্ধোপাধ্যায়, অভিষেক বন্ধোপাধ্যায়ের ছবি ও নিশীথ প্রামানিকের ছবি ছিঁড়ে দেয়।

এবং সেখান থেকে তারা পালিয়ে যায়। সেই ঘটনার পর দুষ্কৃতীদের গ্রেপ্তারের দাবীতে তৃণমূল যুব কংগ্রেসের পথ অবরোধ ও বিক্ষোভ মিছিল করেন। যদিও ওই অভিযোগ অস্বীকার করেন মাদার তৃণমূল কংগ্রেসের স্থানীয় নেতৃত্বরা।ভেটাগুড়ি ১ নং অঞ্চলের প্রধান রতন বর্মণ অভিযোগ করে বলেন, দীর্ঘদিন ধরে আমরা ভেটাগুড়ি সব্জি বাজার পার্টি অফিস আমরা সকলে ব্যাবহার করি।

কিন্তু আজ সকালে কিছু তৃণমূলের আশ্রিত দুষ্কৃতীরা ভেটাগুড়ি সব্জি বাজারে ওই পার্টি অফিসের এসে চেয়ার টেবিল, মমতা বন্ধোপাধ্যায়, অভিষেক বন্ধোপাধ্যায়ের ছবি ও নিশীথ প্রামানিকের ছবি ছিঁড়ে দেয়। সেই ঘটনার পর ওই দুষ্কৃতীদের গ্রেপ্তারের দাবীতে আমরা পথ অবরোধ করি।যদিও ওই অভিযোগ অস্বীকার করে মাদার তৃনমূলের প্রাক্তন অঞ্চল সভাপতি সুনীল রায় সরকার বলেন, আজ আমরা প্রায় ৭০-৮০ জন লোক নিয়ে ভেটাগুড়ি সব্জি বাজারের পার্টি অফিসে যাই।

সেখানে যুব তৃণমূলের কর্মীদের সাথে কথা হয় যে আমরা মিলেমিশে এক সাথে কাজ করব। তারপর সেখান থেকে আমরা বেরিয়ে আসছিলাম। অভিযোগ সেই সময় কয়েকজন যুব কর্মী আমাদেরকে মারধোর করে।

আমার বাইক ভাঙচুর করে, আমার ভাই ও ছেলেকে মারধোর করে। পার্টি অফিসের ভাঙচুর ঘটনায় আমাদের তৃণমূল কংগ্রেসের কোন কর্মী জড়িত নয়। তারপর তারা নিজেরাই ফ্লেক্স ও ফেস্টন ছিড়ে তৃণমূল কংগ্রেসের উপর দোষ চাপাচ্ছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here