ঠান্ডার মরশুমে ফের সক্রিয় গরু পাচার

0
32

দক্ষিন দিনাজপুরঃ ঠান্ডার মরশুম শুরু হতেই হিলি সীমান্তে ফের সক্রিয় হয়ে উঠেছে গোরু পাচার। কুয়াশা বাড়ার সাথে সাথে বাড়ে বাংলাদেশে গোরু পাচার। অভিযোগ কার্যত পুলিশ ও বিএসএফের মদতেই এই পাচার চলছে। দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার তিন দিকে রয়েছে বাংলাদেশ।

জেলায় ভারত বাংলাদেশ সীমান্তের ২৫২ কিলোমিটার রয়েছে। তার মধ্যে এখনও ৩২ কিলোমিটার উন্মুক্ত রয়েছে। নেই কোনও কাঁটাতার। এই এলাকা দিয়ে সব থেকে বেশি পাচার হয় বলে অভিযোগ।

শীতের মরশুমে কুয়াশায় অন্ধকার ঘন হওয়ায় ফের গোরু পাচারের করিডর হয়ে ওঠেছে হিলি সীমান্ত। বেশকিছু দিন ধরে রমরমা ভাবে চলছে গোরু পাচার। হাট থেকে গোরু ক্রয় করে সেগুলি তিওড় ডাঙ্গি এলাকায় রাখার পর ত্রিমোহিনী দিয়ে চক গোপাল, ডুমরণ, গোবিন্দপুর, জামালপুর সীমান্ত দিয়ে পাচার হচ্ছে বলেই সূত্রের খবর। পাচার চক্রের মাথা রয়েছে রাজনৈতিক দলের দোর্দণ্ডপ্রতাপশালী ব্যক্তিরা।

এদিকে প্রশ্ন ওঠেছে কার মদতে এমন কারবার চলছে ? তবে কি পুলিশ বিএসএফের মদত রয়েছে ? আবার কেউ কেউ দাবি করছে মদত ছাড়া এমন কাজ করার সাহস পাবে কি করে ?
কেটে গিয়েছে চার দশকেরও বেশি সময়। দেশ এখন ডিজিটালের শিখরে। উন্নত হয়েছে সামরিক ব্যবস্থা। কিন্তু যেন সেই খোলা সীমান্ত, অবৈধ মালপত্রের পাচার এখনও গ্রাস করে রেখেছে হিলি সীমান্ত ব্যবস্থাকে।

দিনে স্টোরিং রাতে পাচার এ যেন হিলির নিত্যসঙ্গী। পাচার কাজের সঙ্গে জড়িত স্কুল পড়ুয়ারাও। রুটিরুজি জোগাড়ে হিলিতে কৃষিকাজের বিকল্প নেই কোনও কর্মসংস্থান বলে অভিযোগ পাচারকারীদের।

এবিষয়ে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ব্যক্তি জানান, অনুপ্রবেশকারী সমাজবিরোধীরা গোরু পাচার করে বিষিয়ে তুলেছে। রাত হলেই রমরমা গোরু পাচার চালু হয়। প্রতিবাদ করতে গেলে আকান্ত হতে হয় মানুষ’কে। প্রশাসনকে জানিয়ে কোনও লাভ হয়নি। পাচারকারীরা মদ, জুয়াতে সমাজ নষ্ট করে দিচ্ছে। কঠোরতম ব্যবস্থা গ্রহণ করা উচিত প্রশাসনের বলে জানান তিনি।
প্রশাসনের তরফ থেকে পুরো বিষয়টি খোঁজ নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনের কথা বলা হয়।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here