বঙ্গনেত্রী থেকে ভারতনেত্রী হওয়ার কঠিনতম চ্যালেঞ্জ নিয়েছেন মমতা ব্যানার্জি # বাংলায় বিজেপির রথকে রুখে দেওয়া আর দিল্লি থেকে বিজেপিকে উৎখাত এক নয় # তবু বলবো, রাজনীতি একটা সম্ভাবনাময় ক্ষেত্র # বেঙ্গল ওয়াচের জন্য কলম ধরলেন বিশিষ্ট সাংবাদিক শ্যামলেন্দু মিত্র

0
27

# বেঙ্গল ওয়াচের জন্য কলম ধরলেন বিশিষ্ট সাংবাদিক শ্যামলেন্দু মিত্র #

 

মমতা ব্যানার্জি হাওয়াই চটি পরে কাধে ঝোলা ব্যাগ নিয়ে দুয়ারে দুয়ারে ঘুরে ১৯৮৪ সালের লোকসভা ভোটে সিপিএমের ইন্দ্রপতন ঘটিয়েছিলেন।

মমতা ব্যানার্জির কাছে পরাজিত হন সিপিএমের দোর্দণ্ড প্রতাপ নেতা সোমনাথ চ্যাটার্জি।

সেই মমতা ব্যানার্জির রাজনৈতিক যাত্রা।

কখনও কখনও  হার হলেও বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই জিত।

সেই মমতা ব্যানার্জি এবার তার দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের কার্যত শেষ পর্যায়ে এসে মারাত্মক বাজি ধরেছেন। কঠিনতম চ্যালেঞ্জ নিয়েছেন।

বঙ্গনেত্রী থেকে তিনি ভারতনেত্রী হওয়ার কথা তাকে অনেকেই বলেছেন, কার্যত জাতীয় নেত্রী।

এটা,কথার কথা নয়। তিনি করে দেখানোর চ্যালেঞ্জ নিয়েছেন।

বঙ্গরাজনীতিতে বাম-কংগ্রেসকে পুরোপুরি পর্যুদস্ত করে বিজপির রথকে আটকে দিয়েছেন দুই ডিজিটে।

এবার তার প্রতিজ্ঞা বিজেপিকে দিল্লি ছাড়া করার।

তার জন্য তিনি বিজেপি বিরোধী মহাজোটের ডাক দিয়েছেন।

সেই উদ্দেশ্য কংগ্রেস সভানেত্রী সোনিয়া গান্ধির সঙ্গে আলোচনায় বসছেন।

তার ধারণা, কংগ্রেস তার বিজেপি বিরোধী মহাজোটের ডাককে সমর্থন করে তার ছাতার তলায় আসতে বাধ্য হবে।

কংগ্রেস গত লোকসভা ভোটে কার্যত আঞ্চলিক দলের স্ট্যাটাসে চলে গেছে।

বড় দিঘি,কিন্তু ঘটি ডোবে না।

তাই সোনিয়ার পক্ষে পুত্র রাহুলকে প্রধানমন্ত্রী করার দিবাস্বপ্ন পরিত্যাগ করাই শ্রেয়।

২০২৪টা মমতা ব্যানার্জিকে ছেড়ে দেওয়াই বুদ্ধিমানের কাজ।

কিন্তু মমতা ব্যানার্জির পক্ষে কঠিনতম চ্যালেঞ্জ।

বাংলায় ৪২শে ৪২ পেলেও তার নেতৃত্ব কি মেনে নেবে বাকি আঞ্চলিক দলগুলি?

নিতেও পারে।

বিজেপি যদি কমন এনিমি হয় তাহলে হতেও পারে।

ভোটের এখনও তিন বছর বাকি।

বিজেপি দেশ চালাতে বেসামাল।

জ্বালানী তেল রান্নার গ্যাস সহ নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধিতে সাধারণ মানুষ জর্জরিত।

প্রবীণ নাগরিকরা ব্যাঙ্কের সুদ কমে যাওয়ায় মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত। অসন্তুষ্ট

বিজেপির হিন্দুয়ানা গোটা দেশে কার্যত ব্যর্থ।

নাগরিকত্ব ইস্যুতে সাধারণ মানুষ আতঙ্কিত।

বেকারত্ব মারাত্মক আকার ধারণ করেছে।

২৪ সালের ভোটের আগে এই অবস্থাগুলির সুরাহা হওয়ার আশা কম।

বিজেপি বিরোধী দলগুলির এইগুলিই অস্ত্র।

নরেন্দ্র মোদির ক্যারিসমা ও ইমেজ আগের মতো নেই।

তার হাতেনাতে প্রমাণ বাংলার বিধানসভা ভোট।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here