বেঙ্গল ওয়াচ এর মুখ মুখী তৃণমূল যুব কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক সম্রাট তপাদার

0
109

বেঙ্গল ওয়াচ ডিজিটাল ডেস্কঃ সকল রাজ্যবাসীকে শুভ নববর্ষের আন্তরিক প্রীতি, শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়ে শুভকামনা করলাম। প্রদেশ তৃণমূল যুব কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক সম্রাট তপাদার।

আজ“Bengalwatch” কে
দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে প্রদেশ তৃণমূল যুব কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক সম্রাট তপাদার বলেন ” সকল রাজ্যবাসীকে শুভ নববর্ষের প্রীতি ও শুভেচ্ছা জানাই। নুতনের আগমন ঘটে পুরোনোকে সরিয়ে। কারন, যা কিছু নুতন, তার আগমনকে মসৃন করতে পুরাতন-কে সরে যেতে হয় – এটা যে কালের নিয়ম! আর এই কালের নিয়মেই বর্তমান অতীত হয়ে যায়।

আবার অতীত কখনও বর্তমান হয়ে ফিরে আসে! তাই, ঘটে যাওয়া কিছু ঘটনাকে অতীত ভেবে ভুলে যাওয়ার চেষ্টা করি, কারন বিশেষ কিছু ঘটনার কথা যাতে মনে না আসে, আর না ঘটে তার প্রার্থনা করি। কিন্তু, ওই যে, কালের নিয়মেই অতীত কখনও বর্তমান হয়ে ফিরে আসে, আর তাই ঘটে যাওয়া কিছু ঘটনাকে অতীত ভেবে ভুলতে চাইলেও, ভুলতে পারছি না এই বর্তমানে দাঁড়িয়েও! ভারতবর্ষের রাজনীতিতে এই সময়ের মধ্যে অনেককিছুই ঘটে গিয়েছে।

তবে, সবচেয়ে ব্যাপকভাবে যেটা ঘটেছে সেটা হলো সুকৌশলে (না কুকৌশলে?) মানুষের কাছ থেকে তাদের কিছু অধিকার কেড়ে নেওয়া বা তাদের ব্যক্তিগত বিষয়ে রাষ্ট্রের অযাচিত হস্তক্ষেপ যা গণতান্ত্রিক ভারতবর্ষে কখনও ঘটতে পারে বলে আমার মনে হয়নি। লাগামহীন মব লিনচিং , গোহত্যার নামে মানুষ খুন, লাগামহীন ধর্মীয় উন্মত্ততা, নোটবন্দী, ট্যাক্সের রমরমা, জাতীয় অর্থনীতির খারাপ অবস্থা, গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধি , আরও কত কি…. আর এইসবই ঘটেছে বিজেপি সরকারের এই শাসনকালে।

সবকা সাথ, সবকা বিকাশ এর প্রতিশ্রুতিতে জনগণকে ভাসিয়ে, তাদেরকে উন্নয়নের স্বপ্ন দেখিয়ে কেন্দ্রে ক্ষমতায় আসা বিজেপি সরকার আজ শোচনীয়ভাবে ব্যর্থ । নির্বাচনের সময় বিজেপি-র দেওয়া প্রতিশ্রুতিগুলো যে আসলে ফাঁকা আওয়াজ ছাড়া আর কিছুই নয়, তা দিনের পর দিন উন্মোচিত হয়ে পড়ছে জনগনের সামনে।

আর তাই, জনগন নুতন করে বাঁচার স্বপ্ন দেখছেন। কিছুদিন আগে ঘটে যাওয়া পাঁচ রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপি-কে পরাস্ত করে তার প্রমান তারা দিয়েছেন এবং অপেক্ষা করছেন ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনের জন্য। আমাদের রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মাননীয়া মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মানুষকে উন্নয়নের প্রকৃত স্বপ্ন দেখিয়েছেন, সেই স্বপ্ন পূরন করছেন বা স্বপ্ন পূরণের লক্ষ্যে নিরলসভাবে কাজ করে চলেছেন এবং তার এই কাজে যোগ্য সঙ্গ দিচ্ছেন মাননীয় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।

সাধারন মানুষ আজ বুঝতে পারছেন কোনটা খাঁটি আর কোনটা খাঁটি নয়, আর তাই তো তারা দু-হাত ভরে আশীর্বাদ করছেন বাংলার মা-মাটি-মানুষের সরকারের রূপকার, জননেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়-কে। গুণের কদর চিরকালই থাকে। তাই, রাজ্যের আপামর জনগণের আশীর্বাদে বাংলার মা-মাটি-মানুষ এর সরকারও বহুদিন ধরে জনগণের কল্যাণে কাজ করে যাবে, এটা আমার বিশ্বাস।

এই নুতন বছরে মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এর নেতৃত্বে এবং মাননীয় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এর যোগ্য সঙ্গতায় মা-মাটি-মানুষের সরকার রাজ্যের আপামর জনগনের জন্য আরও কল্যাণকর হয়ে উঠবে, এমনটা রাজ্যের কোটি কোটি মানুষ বিশ্বাস করেন।

তারা এমনটা বিশ্বাস করেন, কারন তারা মনে করেন যে মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়-কে বিশ্বাস করা যায়। আর বিশ্বাস তো তাকেই করা যায়, যিনি বিশ্বাসের মর্যাদা রাখেন। জননেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যে জনগনের পালস বোঝেন….””

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here