বেঙ্গল ওয়াচ ডেস্ক ::ফের ভূমিকম্প ইন্দোনেশিয়ায়।

 

সোমবার ভোর সাড়ে তিনটে নাগাদ শক্তিশালী কম্পন অনুভূত হয় ইন্দোনেশিয়ায়। িরখটারস্কেলে কম্পমনের তীব্রতা ছিল ৬.১। সমুদ্রগর্ভ ছিল কম্পনের উৎসস্থল। তবে এখনও পর্যন্ত হতাহতের কোনও খবর পাওয়া যায়নি। জারি করা হয়নি সুনামি সতর্কতাও।

ফের ভূমিকম্পের আতঙ্ক ফিরল ইন্দোনেশিয়ায়। সোমবার ভোর ৩টে ৫৯ মিনিটে কেঁপে ওঠে ইন্দোনেশিয়ার উত্তর সুমাত্রা এলাকা। কম্পনের তীব্রতাও নেহাত কম ছিল না। ৬.১। সমু্দ্রগর্ভ ছিল কম্পনের উৎসস্থল। তার জেরে এখনও পর্যন্ত সুনামি সতর্কতা জারি করা হয়নি। তবে আতঙ্কে রয়েছেন বাসিন্দারা। কয়েকদিন আগেই ভয়বহ ভূমিকম্পে তছনচ হয়ে গিয়েছিল ইন্দোনেশিয়া। প্রায় ১৬২ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গিয়েছিল। ভয়াবহ সেই ভূমিকম্পের পর আতঙ্কে রয়েছেন বাসিন্দারা। এখনও পর্যন্ত সামলে উঠতে পারেননি পরিস্থিতি।

গত কয়েক মাসে দফায় দফায় ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে এশিয়ার একাধিক জায়গায়। ইন্দোনেশিয়া ছাড়াও ভারতের একাধিক জায়গায় ভূমিকম্প হয়েছে। নেপালে ভূমিকম্পে ২ জন মারা গিয়েছে। একের পর এক কম্পনের ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন ভূবিজ্ঞানীরা। এশিয়ার বিভিন্ন অঞ্চলে ভূমিকম্পের ঘটনা বেড়ে যাওয়ার নেপথ্যে প্লেট পরিবর্তনকেই দায়ী করেছিলেন তাঁরা। এদিকে আবার ভারতের জোশীমঠ ক্রমশ ধসে পড়তে শুরু করেছে। জোশী মঠের সিংহভাগ এলাকাই ধসে পড়ছে। এই নিয়ে চরম সংকট দেখা দিয়েছে সেখানে। জোশী মঠের একািধক জায়গায় বাড়িতে ফাটল ধরতে শুরু করেছে। সেখান থেকে বাসিন্দাদের সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। অপরিকল্পিত নির্মাণের কারণেই এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে জোশী মঠে এমনই অভিযোগ উঠেছে।

এদিকে ভূবিজ্ঞানীরা জোশীমঠের এই পরিস্থিতির জন্য ভূগর্ভস্থ প্লেট পরিবর্তনকেই কারণ বলে মনে করছেন অনেক ভূবিজ্ঞানী। ইতিমধ্যেই জোশীমঠের একাধিক জায়গা বিপজ্জনক বলে ঘোষণা করা হয়েছে। একাধিক হোটেল-বাড়ি ভাঙা শুরু হয়ে গিেয়ছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। ইসরোর স্যাটালাইট ছবিতে দেখা গিয়েছে ৫ দিনে ২ ইঞ্জি বসে গিয়েছে জোশীমঠ। প্রতিদিন একটু একটু করে ধসে পড়ছে জায়গাটি।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here