স্কুলের সামনে অবৈধ নির্মাণ,রাস্তায় বসেই ক্লাস পড়ুয়াদের

0
59

তুহিন শুভ্র আগুয়ান;পূর্ব মেদিনীপুরঃস্কুলের সামনে বেআইনি ভাবে গড়ে উঠেছে অবৈধ নির্মাণ ফলে মেনগেট দিয়ে স্কুলে ঢুকতে না পারায় রাস্তায় বসে ক্লাস পড়ুয়াদের।ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব মেদিনীপুর জেলার এগরার কামারডিহা এলাকায়।

জানা গেছে,একই গেটের মধ্যে কামারডিহার  তিনটি স্কুল রয়েছে।যাদের মধ্যে একটি আইসিডিএস স্কুল,কামারডিহা প্রাথমিক স্কুল এবং আরেকটি একটি উচ্চ প্রাথমিক স্কুল।এই তিনটি স্কুলে এলাকার প্রায় এলাকার শতাধিক ছাত্রছাত্রী পড়াশোনা করে।

বেশকয়েকদিন ধরে স্কুলের মেন গেটের সামনে গড়ে উঠেছিল অবৈধভাবে নির্মাণ।এনিয়ে কামারডিহা প্রাথমিক স্কুলের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক অজিত শাসমল একাধিক জায়গায় চিঠি পাঠিয়ে অভিযোগ জানান এবং স্কুল কমিটিরও বিষয়টি নজরে আনেন।

এরপরও সমস্যার কোনো সুরাহা হয়নি।সোমবার যখন ওই তিনটি স্কুলের ছাত্র-ছাত্রীরা স্কুলে আসে তখন তারা দেখে স্কুলের গেটের সামনেই রাতারাতি চলে এসেছে এই অবৈধ নির্মাণ।এরফলে সোমবার ওই তিন স্কুলের পড়ুয়ারা রাস্তায় ত্রিপল মেলে বসে পড়াশোনা শুরু করে দেয়।এই পরিস্থিতির খবর সমগ্র স্হানীয় অঞ্চল জুড়ে ছড়িয়ে পড়তে ব‍্যাপক শোরগোল পড়ে যায়।

এরপর এই ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন স্থানীয় এগরা থানায় পুলিশ।পুলিশ আসার পর সমগ্ৰ বিষয়টি জানার পর স্কুলের গেটের সামনে গড়ে ওঠা ওই অবৈধ নির্মাণ তারা ভেঙে দেন।এরপর পড়ুয়ারা ক্লাসে প্রবেশ করে পড়াশোনা শুরু করে।

কামারডিহা প্রাথমিক স্কুলের প্রধান শিক্ষক অজিত শাসমল জানান,বেশকয়েকদিন ধরে স্কুলের পাশে থাকা জায়গাটিকে দখল করে গড়ে উঠেছে অবৈধ নির্মাণ।এই নিয়েই আমি একাধিক জায়গায় চিঠি পাঠিয়েছেন।স্কুল কমিটিকেও বিষয়টি জানিয়েছি।এরপর সোমবার স্কুলে এসে দেখি গেটের সামনে চলে এসেছে ওই অবৈধ নির্মাণ।
স্কুল ও স্হানীয় সূত্রে খবর,স্কুলের সামনের জায়গাটিকে স্হানীয় বেশকয়েকজন দখল দেওয়ার চেষ্টা করছেন।তাই গত কিছুদিন ধরে স্কুলের পাচিলের পাশে অ্যাসবেস্টার দিয়ে গড়ে উঠেছিল ঘর।এরপরই সোমবার দেখা যায় ওই অবৈধ ঘর একেবারে স্কুল গেটের সামনে চলে এসেছে।ঘটনায় ক্ষুব্ধ হয়ে পড়ুয়ারা রাস্তাতেই পড়াশোনা শুরু করে দেয়।এরপর পুলিশ এসে গেটের সামনের ওই নির্মাণ ভেঙে দেয়।খুব শীঘ্রই আশেপাশের নির্মাণ গুলিও মহকুমা শাসকের অনুমতি নিয়ে ভেঙে ফেলা হবে বলে আশ্বাস দেন এগরা থানার পুলিশ।ঘটনায় এখনও থমথমে পুরো এলাকা।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here