রেলস্টেশনের মাঝেই নাকি ভাসছে নৌকা ও সামুদ্রিক মাছ

0
115

তুহিন শুভ্র আগুয়ানঃ তমলুক;২৩ জানুয়ারিঃ হ‍্যাঁ ঠিকই শুনেছেন রেলস্টেশনেই ভাসছে নৌকা ও সামুদ্রিক মাছের মতো আরও কতকি।

এমনই দৃশ্য দেখতে পাবেন পূর্ব মেদিনীপুর জেলার ঐতিহাসিক শহর তমলুক রেলস্টেশনে।তবে এ নৌকা কাঠ ও পেরেকের তৈরি নয়।এ নৌকা রং-তুলির টানে মানুষের হাতে আঁকা।

স্টেশনের এমনই দৃশ্য একটু চোখের দেখা দেখতে এখন তমলুক রেলস্টেশন জুড়ে কাতারে কাতারে মানুষ ভিড় জমাচ্ছেন।

তুলির ডোগায় একটু রং আর এই রঙের প্রলেপেই তমলুক রেলস্টেশনের ফুটওভারব্রিজে গড়ে উঠেছে আস্ত এক নদী।

যে নদীর মধ্যে রয়েছে সামুদ্রিক মাছ ও সামুদ্রিক উদ্ভিদের মতো আরও কতকি।গত বেশ কয়েকদিন ধরে রেল কর্তৃপক্ষের উদ্যোগে এমনই সাজে সেজে উঠেছে তমলুক রেলস্টেশন চত্বর।যা দেখে কার্যত মুগ্ধ স্থানীয় বাসিন্দা ও রেলযাত্রী উভয়েই।

রেল সূত্রে খবর,দক্ষিণ-পূর্ব রেলের জেনারেল ম্যানেজার আগামী ২৯ জানুয়ারি পূর্ব মেদিনীপুর জেলার বিভিন্ন রেলস্টেশন পরিদর্শনে আসবেন।তাই এমনই ঝাঁ-চকচকে অবস্থা তমলুক রেলস্টেশনের‌।

 

এই স্টেশন দিয়ে প্রত্যেকদিন বহু এক্সপ্রেস ও লোকাল ট্রেনের যাতায়াত।তাই বলা চলে রোজ এই স্টেশন দিয়ে হাজার হাজার মানুষের যাতায়াত।এমনকি সমুদ্র সৈকত দীঘা বেড়াতে যাওয়ার জন্য পর্যটকদেরকে এই স্টেশনের উপর থেকেই যেতে হয়।

তাই এখন নবরূপে সেজে উঠছে তমলুক রেলস্টেশন চত্বর‌।রেল কর্তৃপক্ষের কোয়াটার গুলির সামনেও সাজানো হয়েছে নানা রকম রংবাহারি ফুলের সৌন্দর্যে।গাঁদা, চন্দ্রমল্লিকা সহ নানা রকম ফুলের সৌন্দর্যে এখন ভরপুর গোটা স্টেশন চত্বর।

আর ফুটওভার ব্রিজের তৈলচিত্র সে যেন আস্ত এক কোনো নদী বা সাগর।দূর থেকে দেখলে মনে হবে যেন স্টেশনের মাঝে বয়ে গেছে একটি নদী।কিন্তু যখন কাছাকাছি আসা যাবে তখন বোঝা যাবে এটাই ফুটওভার ব্রিজ।ব্রিজের একদিকে যেমন রয়েছে নৌকা ও সামুদ্রিক উদ্ভিদের মতো উপাদান গুলি,তেমনই অপরদিকে রয়েছে বিভিন্ন মাছের সমাহার।

২৯ জানুয়ারি দক্ষিণ-পূর্ব রেলের জেনারেল ম্যানেজার জেলার বিভিন্ন স্টেশন পরিদর্শন করবেন।

তাই তমলুক স্টেশনসহ সেজে উঠেছে দীঘা,পাঁশকুড়ার মতো রেলস্টেশন গুলি।যার মধ্যে এখন এই সৌন্দর্যের শীর্ষে রয়েছে তমলুক রেল স্টেশন।

স্টেশনের এমন মন মুগ্ধকর তৈলচিত্র উপস্থাপন করতে সুদূর নদীয়া থেকে হাজির হয়েছে তনয়া কুন্ডুরা।তারা জানান,“এমনভাবে  চিত্রকলা যদি প্রতিটি স্টেশনে স্টেশনে করা যেত তাহলে মানুষ একদিন স্টেশন চত্তরেই ভ্রমণ করতে আসবেন

 

 

 

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here