ভারতীয় জলদস্যুদের হাতে আক্রান্ত মৎসজীবিরা, গ্রেপ্তার ৪ জলদস্যু

0
44

বেঙ্গল ওয়াচ ডেক্সঃ ভারতীয় জলদস্যুদের হাতে আক্রান্ত সুন্দরবনের মৎসজীবিরা। মৎসজীবিদের তৎপরতায় গ্রেপ্তার ৪ জলদস্যু।

জলদস্যুদের মধ্যে একজন পুলিশের খাতায় কুখ্যাত বলে পরিচিত। শনিবার ভোররাত্রে সুন্দরবনের সন্দেশখালির খুলনা দ্বীপের কাছে ডাঁসা নদী থেকে চারজন জলদস‍্যুকে গ্রেফতার করেছে সন্দেশখালি থানার পুলিশ।

শনিবার বসিরহাট মহকুমা আদালতে তোলা হলে বিচারক তাদের পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ দেন। ধৃতদের টি-আই প্যারেডে দাঁড় করানোর জন্য পুলিশ এখনই তাদের নাম প্রকাশ করতে চায়নি। তবে জানাগেছে ৪ জলদস্যুর বাড়িই সন্দেশখালির ঢোলখালি এলাকায়। এই ঘটনাকে কেন্দ্রকরে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।

সুন্দরবনে ফের জলদস‍্যুর আক্রমণের শিকার মৎসজীবিরা। সুন্দরবনের বিভিন্ন নদীতে বেশির ভাগ সময়ই বাংলাদেশী জলদস‍্যুর আক্রমণের কথা প্রায় শোনা যায়।

ছিনতাই, লুঠপাট, মারধর এমনকি অপহরণের খবর শোনা যায়। এবার স্থানীয় দুষ্কৃতিরাই জলদস্যু ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছে। জানাগেছে, বসিরহাট মহকুমার সন্দেশখালির খুলনা দ্বীপের কাছে ডাঁসা নদীতে স্থানীয় বেশকয়েকজন মৎসজীবিরা মাছ ধরছিল।

শনিবার ভোররাতে একদল কুখ্যাত দুষ্কৃতি একটি নৌকা চুরি করে অস্ত্রসস্ত্র নিয়ে জলদস‍্যুর ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়ে মৎসজীবিদের উপর হামলা করে। প্রথমে ধস্তাধস্তি মারধোরের পর, মৎসজীবিদের চিৎকারে জড়ো হয়ে যায় সুন্দরবনের নদী পাড়ের মানুষ।

নৌকাড়ি পাড়ে আসতেই হাতেনাতে পকড়াও করে মৎসজীবি ও সুন্দরবনের মানুষ। খবর দেওয়া হয় পুলিশকে। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে চারজন জলদস‍্যুকে গ্রেফতার করে।

তবে ধরাপড়ে যাওয়ার আগেই পুলিশের ভয়ে তাদের অস্ত্রসস্ত্র ফেলে দেয়। ইতিমধ্যে জলদস‍্যুর আক্রমণ রুখতে ভারত ও বাংলাদেশের সীমান্ত রক্ষী বাহিনী তথা বিএসএফ এবং বিবিজির মধ‍্যে বেশকয়েকবার বৈঠক হওয়ার পরেও নদী গুলিতে নজরদারি থাকা সত্ত্বেও কিভাবে প্রশাসনের চোখ এড়িয়ে জলদস‍্যুরা আক্রমণ করছে সে প্রশ্নের মুখে সীমান্ত রক্ষী বাহিনী ও পুলিশ প্রশাসন। সেক্ষেত্রে সুন্দরবনের মৎসজীবিদের নিরাপত্তা আবারও প্রশ্নের মুখে? তবে পুলিশের দাবি এরা তথাকথিত জলদস্যু নয়।

এরা এলাকায় কুখ্যাত দুষ্কৃতি হিসেবেই পরিচিত। এদের কয়েকজনের বিরুদ্ধে চুরি, ডাকাতি, ছিনতাই সহ পুরনো কিছু অভিযোগ আছে। তবে এদিন তারা একটি নৌকা চুরি করে মৎস্যজীবিদের মাছ সহ অন্যান্য জিনিস লুটের উদ্দেশ্যেই গিয়েছিল। ধৃতদের অস্ত্র উদ্ধার সহ তাদের সঙ্গে আরও কেউ যুক্ত আছে কিনা তা জানতে তাদের নিজেদের হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here