নিজস্ব প্রতিনিধি:  নির্মাণের পর থেকে ব্যবহার না হয়েই পরে পরে নষ্ট হচ্ছে জনস্বাস্থ্য কারিগরি বিভাগের জল সরবরাহ প্রকল্পের জলাধার। এলাকার জল সমস্যা সমাধানের জন্য একটি জলাধার বৃহৎ নির্মাণ করা হয়েছিল। কিন্তু, নির্মাণের পর থেকে সেটি ব্যবহারই হয়নি।

গত তিন বছর ধরে অব্যাহৃত হয়ে নষ্ট হচ্ছে জলাধারটি৷ এতে স্বাভাবিক ভাবেই ক্ষুব্ধ ইলামবাজার ব্লকের বিলাতি গ্রাম পঞ্চায়েতের ১০টিরও বেশি গ্রামের মানুষজন। তাদের অভিযোগ, দীর্ঘ দিন ধরে এলাকার বাসিন্দারা জল সংকটে ভুগছেন।

সেই সংকট মেটাতে রাজ্য সরকারের জনস্বাস্থ্য কারিগরি দপ্তরের বরাদ্দ অর্থে নির্মিত হয় একটি বৃহৎ জলাধার। কিন্তু, অভিযোগ, নির্মাণের পর থেকে ব্যবহারই হয়নি এই জলাধারটি। দেখা যাচ্ছে জলাধারের গায়ে লাগানো বাঁশ ছেড়ে পড়ছে, শ্যাওলা ধরে নষ্ট হতে বসেছে জলাধারটি৷

এমনকি, দিনে দুবার সরাসরি জল পেত বিলাতি পঞ্চায়েতের অন্তর্গত গ্রাম গুলি। কিন্তু, এক্ষেত্রেও দেখা যাচ্ছে সব দিন, সময় মত পর্যাপ্ত জল পাচ্ছেন না গ্রাম গুলির বাসিন্দারা। এছাড়া, প্রকল্পের কাছাকাছি গ্রাম গুলির বাসিন্দারা জল পেলেও একটু দূরের গ্রাম গুলির বাদিন্দারা একেবারেই জল পায় না বলেই অভিযোগ।

ইলামবাজারের বিডিও বলেন, “প্রকল্পের আওতায় নির্মিত জলাধারটি সম্পূর্ণ নির্মাণের আগেই কাজ ছেড়ে দিয়েছে ঠিকাদার। তবে আমি দেখছি পাম্প গুলি সংস্কার করে কিভাবে জলের ব্যবস্থা করা যায়।”

বিজেপির বীরভূমের জেলা সহসভাপতি দিলিপ ঘোষ বলেন এই যে সরকার শাসন ক্ষমতায় আছে তাদের কাজ টাকা লুট করার কাজ, প্রকল্পের কাজ কাজ দেখিয়ে টাকা টা লুট করেছে এবার কাজ হবে , হবে না সেটা আর দেখবে না তাদের কাজ টাকা লুট সেটা হয়ে গেছে।

যদিও তৃণমূল কংগ্রেস বিজেপির অভিযোগ অস্বীকার করে বীরভূমের জেলা সভাধিপতি বিকাশ রায় চৌধুরী বলেন – বিজেপির মিথ্যা অভিযোগ করছে, যদি মানুষের জলসংকট সমস্যা থাকে আমরা দেখছি এবং বুধবার জলের প্রকল্পের আধিকারিকদের ডেকে পাঠিয়েছি যত দ্রত জলধারাটি চালু করা যায় দেখছি।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here