নিজস্ব প্রতিনিধি :আজ “বেঙ্গল ওয়াচকে” দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে প্রদেশ তৃণমূল যুব কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক সম্রাট তপাদার বলেন…. পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আবার প্রমান করলেন যে তিনি জননেত্রী, জনতার পালস ঠিক বোঝেন, আর তাই তিনি বলেছিলেন যে, ২০১৯, বিজেপি ফিনিশ! তিনি বোঝেন মানুষের সুখ, দুঃখের কথা।

তাদের দুঃখ, কষ্ট তাকে ছুঁয়ে যায়। তিনি দেখেছেন ব্যাঙ্কের লাইনে দাঁড়িয়ে সাধারন, গরীব, অসহায় মানুষের মৃত্যু! তার হৃদয় ব্যথিত হয়েছে। তিনি ভীষণভাবে বুঝেছিলেন যে, নোট বাতিল এবং সুপরিকল্পনার অভাবে GST-র মতন জনস্বার্থবিরোধী কর্মকান্ড কিভাবে মানুষকে দুঃখ, কষ্টের মধ্যে ঠেলে দিয়েছে!

জনতার কথা জননেত্রী-ই ভালো বুঝবেন, স্যুট-বুট এর সরকারের কেউ নন। আজ দেখুন মাননীয়া মমতা ব্যানার্জীর কথা কিভাবে ধীরে ধীরে মিলে যাওয়ার পটভূমি তৈরী হচ্ছে… রাজস্থান, মধ্যপ্রদেশ সহ আরও কয়েকটি রাজ্যে নির্বাচনে সাধারন মানুষ দাঁতভাঙ্গা জবাব দিয়েছে বিজেপি-কে। তারা প্রত্যাখ্যান করেছে জনবিরোধী, নীতি-আদর্শহীন, ক্ষমতালোভী, দেশের সংবিধান বিরোধী রাজনৈতিক দল বিজেপি-কে।

গণতন্ত্রে যে জনতাই সকল ক্ষমতার উৎস, জনগণ তা আবার বুঝিয়ে দিয়েছেন। জনগনের সেবা করতে সঠিক পথে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মতন জনদরদী, পারদর্শী নেতৃত্ব চাই, কোনো স্যুট-বুট এর সরকার নয়। আজ বিগত ৪ বছর ধরে কেন্দ্রে হৃদয়হীন বিজেপি সরকার দেশের হৃদয়ে যে গভীর ক্ষত সৃষ্টি করেছে, তার শুশ্রূষা প্রয়োজন আর এই কাজ মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জির মতন আদর্শ জননেত্রীর আদর্শ অনুযায়ী করা সম্ভব। দেশের জনগণ বোকা নন। তারা সব দেখেন, সব বোঝেন। ক্ষমতার দম্ভে বিজেপি ভুলে গিয়েছিল যে, জনতা যেমন তাদেরকে কেন্দ্রে ক্ষমতার শিখরে তুলেছে, ঠিক তেমনিভাবে সেই জনতাই তাদেরকে মাটিতে আছড়ে ফেলতে পারে।

এই সত্য প্রত্যেক বিচক্ষণ মানুষ মাত্রেই বোঝেন। আর বোঝেন বলেই মমতা ব্যানার্জির মতন পারদর্শী, বিচক্ষণ রাজনীতিক আগেই বলে দিয়েছেন বিজেপি-র রাজনৈতিক ভবিতব্য। আমি বিশ্বাস করি, আগামী ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মাননীয়া মমতা ব্যানার্জীর প্রতি মানুষের অকুন্ঠ ভালোবাসা তাকে একটি নির্ণায়ক শক্তি হিসাবে গড়ে তুলবে, আর ‘সবকা সাথ, সবকা বিকাশ’ এর মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দিয়ে ঘৃণা, বিদ্বেষ, জনবিরোধী, কৃষকবিরোধী হয়ে খেটে খাওয়া সাধারন মেহনতি মানুষের সবকা বিনাশ করতে উঠে-পড়ে লাগা বিজেপি সরকারকে জনগণ ছুঁড়ে ফেলে দেবে।

দেশের জনগণকে একে অপরের বিরুদ্ধে লড়িয়ে দিয়ে দেশে বিভাজনের রাজনীতি করে ক্ষমতায় টিকে থাকতে চায় বিজেপি। কিন্তু, তারা ভুলে গিয়েছে যে, দেশের মানুষ এখন চায় অন্ন-বস্ত্র-বাসস্থান। দেশের শিক্ষিত কর্মহীন যুবক-যুবতীরা চায় কর্মসংস্থান।

তারা ভারতকে আবার জগৎসভায় শ্রেষ্ঠ আসনে দেখতে চায়। কিন্তু, তার বিপরীতে হেঁটে দেশকে এক ভয়ংকর পরিস্থিতির দিকে ঠেলে দিয়ে ক্ষমতায় টিকে থাকতে চায় তারা।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here