“দড়ি ধরে মারো টান

0
96

নিজস্ব প্রতিনিধি :: আজ “বেঙ্গল ওয়াচকে” দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে প্রদেশ তৃণমূল যুব কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক সম্রাট তপাদার বলেন…. “দড়ি ধরে মারো টান” ….ধর্মের নামে সুড়সুড়ি দিয়ে রাজনৈতিক মোক্ষলাভের দিন বোধহয় এবার শেষ হতে চলেছে।

এ এক বড় আনন্দের দিন। আনন্দের এই জন্য যে, দেশে কর্মহীনতার উত্তরোত্তর বৃদ্ধি, ব্যাপক প্রশাসনিক ব্যর্থতা, বিকাশের নামে বিনাশ করার ভয়ঙ্কর খেলা, জিনিসপত্রের মূল্যনিয়ন্ত্রণের বদলে বেলাগাম মূল্যবৃদ্ধি, শক্তিশালী অর্থনীতিকে ধসিয়ে দেওয়া, দুর্নীতি রোধ করার নামে দুর্নীতির পাহাড় গড়ে তোলা এবং এই সব ব্যর্থতাকে ঢাকতে ধর্মের নামে মানুষকে নেশাচ্ছন্ন করে নির্বাচনী বৈতরিণী পার হওয়ার জঘন্য রাজনৈতিক নীতি অবলম্বনকারী ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি)-কে চার রাজ্যের মানুষ ঘৃণার সঙ্গে পরিত্যাগ করেছেন।

তারা আজ বুঝেছেন যে, তাদের সত্যিকারের উন্নয়ন প্রয়োজন। ভাইকে ভাইয়ের বিরুদ্ধে ক্ষেপিয়ে তুলে, হানাহানি করিয়ে রাজনৈতিক লাভ হাসিল করে বিজেপি এতদিন ধরে তাদেরকে ধোঁকা দিয়ে এসেছে।

ধর্মের কল বাতাসে নড়ে – এই আপ্তবাক্য যে সর্বদা সত্য। যে ধর্মের নাম ভাড়িয়ে, ধর্মকে কলুষিত করে, তাকে বদনাম করে বিজেপি এতদিন রাজনৈতিক লাভ পেয়ে এসেছে, আজ সেই ধর্মের মানুষদের সর্বাধিক বসবাস যে সকল রাজ্যের, তাদের মধ্যে গুরুত্বপূর্ন রাজ্যগুলির মধ্যে ৩ টিতেই বিজেপি আজ রাজনৈতিকভাবে ধরাশায়ী।

আজ ওই সমস্ত রাজ্য তথা সারা দেশের জনগণ বুঝতে পারছেন যে, অর্থনীতি, জনসুরক্ষা, দ্রব্য-মূল্যবৃদ্ধি, বেকারত্বের মতন জ্বলন্ত সমস্যাগুলোর প্রতিকার না করে শান্তিপূর্ন, পরস্পর সহাবস্থানে অভ্যস্ত দেশের জনগণকে জাত-পাত-ধর্মের নামে বিভক্ত করে, সুড়সুড়ি দিয়ে, সমাজ তথা দেশে অগ্নিগর্ভ পরিস্থিতির সৃষ্টি করে যেন-তেন প্রকারে ক্ষমতায় টিকে থাকতে চায় ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি)।

তবে, আজ মানুষকে আরও বেশী করে সতর্ক থাকতে হবে। সমাজে ঘৃণার যে বাতাবরন তৈরী করেছে বিজেপি, তাকে সর্বশক্তি দিয়ে প্রতিহত করতে হবে রাজ্যে রাজ্যে।

পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তেমন এক প্রতিরোধের জ্বলন্ত প্রতীক। আর তাই, বিজেপি তাকে নিশানা করে সর্বদা অপপ্রচেষ্টা করে যাচ্ছে। তবে বাংলার জনগনের অকুন্ঠ ভালোবাসায় তাদের সেই প্রচেষ্টা সফল হবে না। আজ রাজ্য তথা দেশের সর্বস্তরের সকল শুভবুদ্ধিসম্পন্ন মানুষকে এগিয়ে আসতে হবে এবং বিজেপি-র মতন ভয়ঙ্কর রাজনৈতিক দলের রাজনৈতিক সন্ন্যাস সুনিশ্চিত করতে হবে আগামী লোকসভা নির্বাচনে এবং তার পরবর্তী অন্যান্য রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here