আজ “Bengalwatch”
দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে প্রদেশ তৃণমূল যুব কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক সম্রাট তপাদার বলেন বিজেপি-র রাজনৈতিক ‘রথযাত্রা’-কে কেন্দ্র করে আমি আমার আশঙ্কার কথা পূর্বের জানিয়েছি।

বলা ভালো যে জানাতে বাধ্য হয়েছি। কারন, বিজেপি-র এই রাজনৈতিক ‘রথযাত্রা’কে কেন্দ্র করে অতীতে ঘটে যাওয়া ঘটনাবলীর স্মৃতি বড়ই বেদনাদায়ক।

আদালতে মামলা করা হয়েছে – আইন আইনের পথে চলবে। দেশের একজন সুনাগরিক হিসাবে দেশের আইন এবং সংবিধানের উপর আমার সম্পূর্ন আস্থা আছে। আর আছে বলেই আমার বিরুদ্ধে করা এই আইনি চ্যালেঞ্জ এর মোকাবিলা আমি আইনিভাবেই করবো।

এছাড়াও যদি কোনো কাজ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত হয়ে করা হয়, তাহলে সেই কাজের জবাবও শান্তিপূর্ন গণতান্ত্রিক উপায়ে রাজনৈতিকভাবেই দেওয়া হবে। ভয় দেখিয়ে বিগত বামফ্রন্ট সরকার ৩৪ বছরে বাংলার মা-মাটি-মানুষের জননেত্রী শ্রীমতী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে মানুষের জন্য কথা বলা, তাদের হয়ে লড়াই করা থেকে বিরত রাখতে পারেনি।

আর আজ সেই জননেত্রী মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আদর্শে অনুপ্রাণিত এবং শ্রী অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে তৃণমূল কংগ্রেস দলের একজন অনুগত সৈনিক হিসাবে আমাকেও ভয় দেখিয়ে থামানো যাবে না।

মানুষকে উন্নয়নের স্বপ্ন দেখিয়ে ২০১৪ সালে লোকসভা নির্বাচনে বিজেপি কেন্দ্রের ক্ষমতায় আসে। কিন্তু, আজ বাস্তবে দেখা যাচ্ছে যে সেইসব প্রতিশ্রুতি ছিল অসাড়। আজ মানুষের দৃষ্টি অন্যদিকে ঘুরিয়ে দিতে, সাধারন মানুষ যাতে তাদেরকে তাদের দেওয়া প্রতিশ্রুতির বিষয়ে প্রশ্ন না করে, তার জন্য ‘রথযাত্রা’ নামক অনুষ্ঠানের আয়োজন করতে চায়। আজ দেশের জনগণ বিজেপি-র কাছে জবাব চাইছে।

তাদেরকে সেই জবাব দিতে হবে। কিন্তু, তা না করে ভয় দেখিয়ে মানুষের মুখ বন্ধ করা যাবে না। মানুষ তাদের জবাব কয়েকদিন আগে সম্পন্ন হওয়া চার রাজ্যের নির্বাচনে দিয়েছে।

বাংলার মা-মাটি-মানুষের নেত্রী মাননীয়া মমতা বন্দোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে বাংলার শান্তিপ্রিয়, উন্নয়নপ্রেমী মানুষও আগামী নির্বাচনে সাম্প্রদায়িক রাজনৈতিক দল বিজেপি-কে জবাব দেবে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here