বেঙ্গল ওয়াচ নিউজ ডেস্ক:একেই বলে ভাগ্যের পরিহাস। যে বহরমপুর একসময় ছিল অধীর চৌধুরীর ‘গড়’, সেখানেই তাকে বার বার শুনতে হচ্ছে ‘গো ব্যাক’। শনিবারের পরে রবিবার সকালেও অধীর চৌধুরী ভোট প্রচারে বের হলে তৃণমূল কর্মীরা তাকে ‘গো ব্যাক’ শ্লোগান শোনান। বেশ বোঝা যাচ্ছে একদম উঁচু তলা থেকে এসেছে এই নির্দেশ। তিনটি এলাকায় ‘গো ব্যাক’ স্লোগানের মুখে পড়েন তিনি। তৃণমূলের কর্মী সমর্থকরা গো ব্যাক স্লোগান দেন। অশান্তি এড়াতে মোতায়েন ছিল প্রচুর কেন্দ্র বাহিনী ও পুলিশ। রবিবাসরীয় সকালে প্রচারে বেরন বহরমপুরের কংগ্রেস প্রার্থী অধীররঞ্জন চৌধুরী। বহরমপুর পুরসভার পাঁচ নম্বর ওয়ার্ডের মোহন রায় পাড়া মোড় থেকে মিছিল শুরু করেন তিনি। এদিন মূলত পায়ে হেঁটে মিছিল করেন তিনি। সঙ্গে ছিলেন স্থানীয় কংগ্রেস নেতা-কর্মীরা। শনিবারের অশান্তির পর রবিবার প্রচারের শুরু থেকে মোতায়েন ছিল প্রচুর কেন্দ্র বাহিনী ও পুলিশ।
বহরমপুর পুরসভার ৩ জায়গায় ‘গো ব্যাক’ স্লোগানের মুখে পড়েন অধীরে। অন্তর্গত ৩ নম্বর ওয়ার্ডের দয়াময়ী কালী বাড়ি এলাকায় অধীর চৌধুরীকে ‘গো ব্যাক’ স্লোগান দেওয়া হয়। তৃণমূলের পক্ষ থেকে ‘গো ব্যাক’ স্লোগান দেওয়া হয়। তারপর দয়ানগর মোড় ও কান্ডনগর রোড এলাকায় ‘গো ব্যাক’ স্লোগানের মুখে পড়েন তিনি। উপস্থিত পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা পরিস্থিতি সামাল দেন। উল্লেখ্য, শনিবার অধীরের মিছিল ঘিরে তুলকালাম কাণ্ড ঘটে বহরমপুরে। ১৯ নম্বর ওয়ার্ডে ভোটপ্রচার করছিলেন কংগ্রেস প্রার্থী। অভিযোগ, প্রচারে বাধা দেওয়া হয়। তা নিয়ে কংগ্রেস কর্মীদের সাথে সংঘর্ষ বাঁধে তৃণমূল কর্মীদের। দু’পক্ষের বচসা হাতাহাতির চেহারা নেয় নিমেষে। উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এলাকা। কংগ্রেস কর্মীদের দাবি, অধীর চৌধুরী ভোটপ্রচার করতে যাবেন, সেকথা জেনে তৃণমূল কাউন্সিলরের নেতৃত্বে একদল যুবক ওই এলাকায় জড়ো হয়েছিলেন। কংগ্রেস কর্মীরা এলাকায় পৌঁছনো মাত্রই অধীরকে লক্ষ্য করে ‘গো ব্যাক’ স্লোগান দেওয়া হয়। পালটা আবার কংগ্রেস কর্মীরাও স্লোগান দিতে থাকেন। তা নিয়ে দু’পক্ষের মধ্যে অশান্তি বেঁধে যায়। হাতাহাতি শুরু হয়। পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী কোনওক্রমে অধীরবাবুকে সরিয়ে নিয়ে যায়।
