বেঙ্গল ওয়াচ নিউজ ডেস্ক:২৯ মার্চের সেই অভিশপ্ত রবিবার ওলটপালট করে দিয়েছে টলিউডের চেনা ছন্দকে। অভিনেতা রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায়ের অকালপ্রয়াণ যেন মানতেই পারছেন না তাঁর সহকর্মী ও প্রিয়জনেরা। ৩০ মার্চ রাহুলের শেষযাত্রায় উপচে পড়া ভিড়ের মাঝে দেখা গিয়েছিল শোকস্তব্ধ গৌরব চক্রবর্তী ও ঋদ্ধিমা চক্রবর্তীকে। প্রিয় বন্ধুর বিদায়ে এবার কলম ধরলেন গৌরব, তাঁর লেখায় উঠে এল একরাশ আক্ষেপ, স্মৃতি আর এক পবিত্র অঙ্গীকার। গৌরব তাঁর লেখায় তুলে ধরেছেন কীভাবে রাহুল তাঁকে বারবার লেখালেখি করতে অনুপ্রাণিত করতেন। শুধু কাজের ক্ষেত্র নয়, ব্যক্তিগত জীবনেও রাহুলের ভূমিকা ছিল বড় ভাইয়ের মতো।

গৌরব ও ঋদ্ধিমার মধ্যে কখনও মান-অভিমান বা মনোমালিন্য হলে রাহুল সবসময় ঢাল হয়ে দাঁড়াতেন। আজ সেই প্রিয় ‘গাইড’ ও ‘অভিভাবক’-কে হারিয়ে দিশেহারা গৌরব। রাহুলের মৃত্যুর নেপথ্যে থাকা অব্যবস্থা ও দায়িত্বহীনতার খবরে ক্ষুব্ধ গৌরব। শেষ মুহূর্তগুলোতে রাহুল কতটা যন্ত্রণার মধ্য দিয়ে গিয়েছেন, তা ভেবেই শিউরে উঠছেন তিনি। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট অনুযায়ী, জলে ডুবে যাওয়ার পর দীর্ঘক্ষণ উদ্ধার না হওয়ায় রাহুলের ফুসফুসে নোনা জল ও বালি ঢুকে গিয়েছিল, যা শেষ পর্যন্ত তাঁর প্রাণ কেড়ে নেয়। এই অবহেলা আর মিথ্যে বয়ানের পাহাড় যেন গৌরবের শোককে আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। রাহুলের মৃত্যুতে এক আবেগঘন অঙ্গীকার করেছেন গৌরব। তিনি লিখেছেন, “ধীর ( গৌরবের ছেলে) হয়তো তার জ্যাঠাকে মনে রাখতে পারবে না ঠিকই, কিন্তু সে চিনবে ঠিকই। আমি আর ঋদ্ধিমা দায়িত্ব নিলাম। তুমি যেখানেই থাকো ভালো থেকো, আর কিচ্ছু চাই না।”

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *