বেঙ্গল ওয়াচ নিউজ ডেস্ক:এভাবে বার বার নির্বাচন কমিশনের কাজের বিঘ্ন ঘটেলে নির্বিঘ্নে ভোট করানো অসম্ভব। এভাবে চলতে পারে না। সারাদিন বিজেপি ও তৃণমূল অবস্থান বিক্ষোভ দেখোয়েছে সিইও অফিসের সামনে। আর রাতে তৃণমূলের আবার বিক্ষোভ। কমিশনের বিরুদ্ধে স্লোগান দিলেন। অবস্থানরত তৃণমূল কর্মীদের দাবি, সিইও দফতরে যাতে অবৈধভাবে ফর্ম ৬ জমা না পড়ে এবং এখান থেকে কোনও কিছু বের করে না নিয়ে যাওয়া হয়, সেজন্য রাতে তাঁরা অবস্থান করছেন। আবার রাতে সিইও দফতরের সামনে স্লোগান দেওয়া নিয়ে বুধবার সকালে কড়া বার্তা দিল মনোজ আগরওয়ালের দফতর। জানাল, “এই ধরনের অসামাজিক কার্যকলাপ বরদাস্ত করা হবে না।” মঙ্গলবার দুপুর থেকে উত্তেজনা ছড়িয়েছিল সিইও দফতরের সামনে। তৃণমূলের অভিযোগ, অবৈধভাবে নাম ঢোকাতে ফর্ম ৬ জমা দিচ্ছে বিজেপি। সিইও দফতরের সামনে ধুন্ধুমার পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল। রাতেও সিইও দফতরের সামনে বসে থাকেন তৃণমূল কর্মীরা। সিইও দফতরের আসেন কলকাতার পুলিশ কমিশনার অজয় কুমার নন্দ। কলকাতা পুলিশের পদস্থ আধিকারিকদেরও সেখানে দেখা যায়।
সিইও দফতরের সামনে ১৬৩ ধারা লাগু থাকা সত্ত্বেও তৃণমূলের বিশাল জমায়েত নিয়ে পুলিশের সঙ্গে অবস্থানকারীদের বাকবিতণ্ডা হয়। পরে জমায়েতকারীরা কিছুটা সরে যান। উত্তর কলকাতা তৃণমূল যুব কংগ্রেস সভাপতি শান্তিরঞ্জন কুন্ডু বলেন, “রাজ্যের বৈধ ভোটারদের নাম কেটে দেওয়া হচ্ছে। আর অবৈধভাবে উত্তর প্রদেশ, বিহারের মানুষের নাম ঢোকানো হচ্ছে ভোটার তালিকায়। সিইও অফিসে যাতে কেউ অবৈধভাবে ফর্ম ৬ জমা দিতে না পারে এবং এখান থেকে বাইরে কোনও কিছু না যেতে পারে, সেজন্য আমরা শান্তিপূর্ণ অবস্থান করছি।”
