বেঙ্গল ওয়াচ ডেস্ক ::যে কোনও অ্যাথেলিটের জীবনে চোট-আঘাত আসে, কিন্তু একজন ক্রীড়াবীদ তখনই সাফল্য পায় যখন সেই এই অন্ধকার অধ্যায় কাটিয়ে ওঠে কঠোর পরিশ্রম এবং দৃঢ়তার উপর ভিত্তি করে, বুধবার এমনটাই বলেছেন টোকিও অলিম্পিকে সোনা জয়ী নীরজ চোপড়া।

 

 

 

 

 

পিভি সিন্ধু, গগণ নারাং এবং অঞ্জু ববি জর্জে সঙ্গে ন্যাশনাল গেমস কনক্লেভে নীরজ জানিয়েছেন তিনিও এমন পরিস্থিতির মধ্যে দিয়ে গিয়েছেন যেখানে তাঁর মনে হয়েছে সমস্ত কিছু শেষ হয়ে গিয়েছে। দুই বার চোট পাওয়ার পর এমনটা মনে হয়েছিল নীরজের। তিনি বলেছেন, “আমরা যখন চোট পাই মনে হয় সব কিছু শেষ হয়ে গিয়েছে। ২০১৯-এ যখন আমি চোট পেয়েছিলাম তখন আমার এমনটা মনে হয়েছিল কিন্তু আমি ফিরে এসেছিলাম। আবারও একই জিনিস ঘটে এই বছর কমনওয়েলথ গেমসের আগে। উভয় ক্ষেত্রেই চোট কাটি ফিরে আসাটা সহজ ছিল না। চোটের পর এক জন অ্যাথেলিটকে জবাব দিতে হয়ে নিজের কাছেই যে সে আর চালিয়ে যেতে পারবে কি পারবে না। সবটাই নির্ভর করে আপনি কী ভাবে এর উত্তর দেন তার উপর। আমি দুই বারই এগিয়ে চলার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম।”

তাঁর আরও সংযোজন, “এক জন অ্যাথেলিটের কেরিয়ারের প্রথম দিকে কোচ এবং ট্রেনারের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূ্র্ণ। ট্রেনার এবং কোচদের অভিজ্ঞতা কাজে আসে চোট থেকে বাঁচার ক্ষেত্রে।” ভারতের অলিম্পিক ইতিহাসে ট্র্যাক অ্যান্ড ফিল্ডে প্রথম অ্যাথেলিট হিসেবে সোনা জেতেন নীরজ চোপড়া। শুধু অলিম্পিকে সোনা জিতেই নয়, বিশ্ব স্তরে ভারতকে বহু সাফল্য এনে দিয়েছেন নীরজ। বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালসে রূপো জিতেছেন নীরজ। এ ছাড়া এশিয়ান গেমস, সাউথ এশিয়ান গেমস, এশিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপ, কমনওয়েলথ গেমসে সোনা জিতেছেন নীরজ চোপড়া।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here