বেঙ্গল ওয়াচ ডেস্ক ::রাজ্যের মুখ্যসচিব এবং অর্থসচিবের বিরুদ্ধে কেন জারি হবে না আদালত অবমাননার রুল?

 

 

 

 

ব্যাখ্যা চেয়ে হলফনামা তলব হাইকোর্টের। মুখ্যসচিব হরেকৃষ্ণ দ্বিবেদি ও অর্থসচিব মনোজ পন্থের হলফনামা তলব করল আদালত। কার্যত ডিএ মামলাতে ফের একবার ধাক্কা রাজ্যের।

বৃহস্পতিবার রাজ্যের পুনর্বিবেচনার আর্জি খারিজ করে দেয় কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি হরিশ ট্যান্ডন এবং বিচারপতি রবীন্দ্রনাথ সামন্তর ডিভিশন বেঞ্চ। যা নিয়ে উত্তাল রাজ্য-রাজনীতি। আর এর মধ্যেই ফের একবার ধাক্কা।

মহার্ঘ ভাতা মামলায় রাজ্যের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার মামলা দায়ের করে কর্মচারী সংগঠনগুলি। ২০ মে হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চের রায়ে বলা হয়েছিল ৩ মাসের মধ্যে ডিএ-র বিষয়টি রূপায়ন করতে হবে। কিন্তু তিনমাস পেরিয়ে গেলেও সরকারি সেব্যাপারে কোনও উদ্যোগ না নেওয়ায় আদালতের নোটিস যায় রাজ্য সরকারের কাছে।

কিন্তু সে ব্যাপারে স্পষ্ট ভাবে কিছু রাজ্যের তরফে কিছু বলা হয় না। এরপরেই আদালত অবমাননার মামলা দায়ের হয়। আজ বৃহস্পতিবার এই সংক্রান্ত মামলার শুনানি হয়। বিচারপতি হরিশ টন্ডন এবং বিচারপতি রবীন্দ্রনাথ সামন্তর ডিভিশন বেঞ্চে এই সংক্রান্ত মামলার শুনানি হয়।
মামলার শুনানিতে আদালত গুরুত্বপূর্ণ একটি পর্যবেক্ষণ করে। জানায়, রাজ্যের মুখ্যসচিব এবং অর্থসচিবের বিরুদ্ধে কেন জারি হবে না আদালত অবমাননার রুল? আর এরপরেই এই বিষয়ে ব্যাখ্যা চেয়ে হলফনামা তলব করেছে ডিভিশন বেঞ্চ। আগামী ৪ঠা নভেম্বরের মধ্যে হলফনামা তলব বিচারপতি হরিশ টন্ডন এবং বিচারপতি রবীন্দ্রনাথ সামন্তর ডিভিশন বেঞ্চের। আগামী ৯ নভেম্বর ফের এই মামলার শুনানি রয়েছে।

তবে ডিএ নিয়ে কাঁটা অবমাননার মামলাতেও থেকে গেল। উল্লেখ্য, ডিএ মামলায় বড় জয় রাজ্য সরকারি কর্মীদের। রাজ্যের পুনর্বিবেচনার আর্জি খারিজ করে দিল কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি হরিশ ট্যান্ডন এবং বিচারপতি রবীন্দ্রনাথ সামন্তর ডিভিশন বেঞ্চ। হাইকোর্ট জানিয়েছে ২০ মে তাদের দেওয়া আদেশ বহাল থাকছে। ২০ শে মে কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে বলা হয় ৩ মাসের মধ্যে বকেয়া মহার্ঘ ভাতা প্রদান করতে হবে। ফলে ডিএ দিতেই হবে রাজ্যকে।

যদিও এই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে ফের একবার সুপ্রিম কোর্টে যেতে পারে রাজ্য সরকার। এমনকি আইনি স্তরেও আলোচনা শুরু হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। যদিও বিজেপির দাবি, একের পর এক মামলাতে মুখ পুড়ছে রাজ্যের। সুপ্রিম কোর্টে না গিয়ে রাজ্যের সরকারি কর্মীদের ডিএ মিটিয়ে দেওয়া উচিৎ বলেই দাবি বিজেপির।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here