বেঙ্গল ওয়াচ ডেস্ক ::ভোররাত থেকে দেশের বিভিন্ন জায়গায় পপুলার ফ্রন্ট অফ ইন্ডিয়ার অফিসে তল্লাশি এনআইএ-র।

 

 

 

 

জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা পশ্চিমবঙ্গ, উত্তরপ্রদেশ, কেরল, অন্ধ্রপ্রদেশ, তেলেঙ্গানা, কর্নাটক এবং তামিলনাড়ু-সহ ১৩ টি রাজ্যে অভিযান চালায় বলে জানা গিয়েছে। কলকাতায় অভিযান চালানো হয় পার্কসার্কাসে।

এখনও পর্যন্ত পিএফআই-এর বিরুদ্ধে যত অভিযান হয়েছে, এদিনেরটি সব থেকে বড় বলেই জানা গিয়েছে। এনআইএ সূত্রে খবর, সন্ত্রাসে অর্থ সাহায্য, প্রশিক্ষণ শিবির তৈরি করা, নিষিদ্ধ সংগঠনে যোগদানের জন্য উৎসাহিত করা-সহ বিভিন্ন অভিযোগের প্রেক্ষিতে দলের সঙ্গে যুক্ত বিভিন্ন ব্যক্তির বাড়ি ও অফিসে এদিন ভোর রাত থেকে তল্লাশি চালানো হয়।

সূত্রের খবর অনুযায়ী এদিনের অভিযানে অংশ নিয়েছেন ইডির আধিকারিককারও। ইডি ইতিমধ্যেই পিএফআই-এর বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করেছে। সেখানে অভিযোগ করা হয়েছে সংযুক্ত আরব আমীরশাহি, ওমান, কাতার, কুয়েত, বাহারিন, সৌদি আরব-সহ বিভিন্ন জায়গায় পিএফআই-এর জেলা কমিটি রয়েছে। তাদের মাধ্যমে অর্থ সংগ্রহ করে হাওয়ালার মাধ্যমে কিংবা ব্যবসায়িক লেনদেনের আড়ালে অর্থ পাঠানো হয়েছে।

জানা গিয়েছে, পিএফআই-এর অর্থ সংগ্রহ নিয়ে ৬০০ টির বেশি দেশীয় অর্থ সাহায্যের ব্যাপারে তদন্ত করা হয়েছে। সেইসব অ্যাকাউন্টগুলির ওপরেও নজরদারি করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। সেখান থেকে ২৬০০র বেশি সুবিধাভোগীকেও চিহ্নিত করেছে ইডি। ইডি দেখেছে, এইসব অ্যাকাউন্টগুলির মধ্যে অনেকগুলিই ছিল ভুয়ো। তদন্তের সময় আসল গ্রাহকের খোঁজও পাওয়া যায়নি। ইডির তরফে জানানো হয়েছে, এই ধরনের সুবিধাভোগীদের মধ্যে একজন হলেন আনশাদ বাসুদিন। এই ব্যক্তিকে আইইডি, পিস্তল এবং কার্তুজ-সহ গ্রেফতার করা হয়েছে।

অন্যদিকে পিএফআই-এর বিরুদ্ধে ওঠা সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন দলের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল সাত্তার। তিনি মধ্যরাতে এই অভিযানকে নৃশংসতার সর্বশেষ উদাহরণ বলে বর্ণনা করেছেন। বেশ কিছু জায়গায় এনআইএ-র তল্লাশির বিরুদ্ধে বিক্ষোভও দেখা পিএফআই-এর কর্মী সমর্থকরা।
এর আগে সোমবার অন্ধ্রপ্রদেশ এবং তেলেঙ্গানার একাধিক জায়গায় তল্লাশি চালায় এনআইএ। সেদিন পিএফআই-এর সঙ্গে সংযুক্ত অন্তত ৪০ টি জায়গায় তল্লাশি চালানো হয়। চারজনকে আটকও করা হয়েছিল সেই অভিযানে। এনআইএ সূত্রে দাবি করা হয়েছে, অভিযুক্তরা প্রশিক্ষণের সঙ্গে যুক্ত ছিল।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here