অর্ণব মৈত্রঃ বর্তমানে বাড়ির ইলেকট্রিক বিলের জন্য মোট অঙ্কের টাকা বের করতে হয় অধিকাংশ পরিবার কে।

মাসের শেষে বা প্রতি তিন মাস অন্তর ইলেকট্রিক বিলের টাকা মেটাতে একটু হিমসিম খেতেই হয় মধ্যবিত্ত পরিবার গুলো কে।

ইলেকট্রিক বিল নিয়ে প্রতিটি পরিবার কে বেশ চিন্তায় থাকতে হয়। কিন্তু যদি আপনি বা আপানার এই কতো গুলো পদ্ধতি যদি একটু মেনে চলা যায় বা এই পদ্ধতি গুলো যদি অবলম্ব করা য়ায় তাহলে মাসের শেষে ইলেকট্রিক বিলের খরচ টা অনেক টাই কমতে পারে। যায় ফলে ইলেকট্রিক বিলের টাকা টা অনেকটাই কমতে পারে।

আসুন জেনে নি আমরা সেই পদ্ধতি গুলো

১- বাড়িতে কম দামী তারের ওয়েরিং বাদ দিয়ে তামার তারের ওয়েরিং করুন। তামার রেজিট্রেন্স কম হওয়ায় বিদ্যুৎতের বিল কম ওঠে।

২- বাড়িতে বোর্ডের সুইচ গুলো দেখে নিন, সেইগুলি তামার আছে কিনা। তামার সুইজ ব্যবহার করুন।

৩- বাড়িতে ওয়েরিং ঠিক আছে কিনা তা ভালো করে দেখে নিন। নিউট্রাল বা আর্থথিং ঠিক আছে কিনা দেখে নিন।

৪- এম সি বি বা ই এল সি বি ব্যবহার করুন। এতে ইলেকট্রিক বিল কম ওঠে।

৫- ফ্যানে রেগুলেটার ব্যবহার করুন। আর যারা রেগুলেটার ব্যবহার করছেন তারা বড়ো রেগুলেটার(পুরোনো দিনে যেমন রেগুলেটার ব্যবহার করা হতো) ব্যবহার করুন। ছোটো রেগুলেটারে রেজিট্রেন্স বেশী হওয়ায় ইলেকট্রিক বিল বেশী ওঠে।

৬- প্লাগের সুইচ অজথা অন করে রাখবেন না। ধরুন আপনি প্লাগে মোবাইল চার্যার লাগিয়ে সুইজ অন করেছেন। এতে কিন্তু ইলেকট্রিক বিলের খরচ বেড়ে যায়। আবার টিভি বা সেপ্টআপ বক্সের পাওয়ার সুইচ অফ করছেন অথচ ইলেকট্রিক বোর্ডের সুইচ অফ করছেন না। এতে কিন্তু ইলেকট্রিক বিল বেশী ওঠে।

৭-বাড়িতে এ ই ডি লাইট ব্যবহার করুন। এতে ইলেকট্রিক বিল কম ওঠে।

৮-অজথা লাইট বা ফ্যান না চালানোই ভালো।

৯- যে সব বাড়িতে ফ্রীজ আছে তারা ভালো করে লক্ষ্য রাখুন যে ফ্লীজ অটোকাড হচ্ছে কিনা। অটোকার্ড না হলে ফ্লীজের ভেতরের হাওয়া বাইরে আসলে ফ্রীজ টি সারাক্ষন চলতে থাকে, এতে ইলেকট্রিক বিল বেশী ওঠে। অটোকাড না হলে ফ্রীজের গ্যাসকিট টা চেক করুন।

১০-বাড়িতে গিজার থাকালে অজথা গিজার চালাবেন না। কাজ মিটে গেলে গিজার অফ করে দিন।

১১- যাদের বাড়িতে মাইক্লোওয়েভ বা টোস্টার ম্যাসিন আছে তারা ওই ম্যাসিন টিকে ভালো করে লক্ষ্য রাখবেন যেনো ভেতরের গরম হাওয়া যেনো বাইরে না আসে।

১২- আয়রন অটোকার্ড হচ্ছ কিনা দেখে নিন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here