মজিদ আনসারী খুনের মামলায় মূল অভিযুক্তকে শনিবার গভীর রাতে গোপন সূত্রে খবর পেয়ে আলিপুরদুয়ারের কুমারগ্রাম ব্লক এর পাকড়ী গুরি বস্তি এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। রবিবার কোচবিহার আদালতে তুলার জন্য তাকে নিয়ে আসা হয়েছে।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ধৃত ওই মূল অভিযুক্ত এর নাম অভিজিৎ বর্মন। তার বাড়ি কোচবিহার কোতোয়ালি থানার কালিরঘাট রোডের দেবনগর এলাকায়। মজীদ খুনের পর থেকে অভিজিত বর্মন গা ঢাকা দিয়েছিল। অবশেষে কুমারগ্রাম ব্লক এর পাকড়িগুরি বস্তি থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

মাজীদ খুনের ঘটনায় অভিযুক্ত মোঃ কলিম মিয়া (মুন্না খান), জামিরুল হক, সুরজ হোসেন (স্পীড বয়), সায়ন হক (লোটাস), নবাব হেদায়াতুল্লাহ, সনজিৎ সাহানি আগেই গ্রেপ্তার হয়েছে। কিন্তু এই মামলার মূল অভিযুক্ত কে কিছুতেই ধরতে পারছিল না পুলিশ।

তাকে ধরার জন্য আদালত থেকে হুলিয়া জারি পর্যন্ত করা হয়। শেষ পর্যন্ত ওই মামলার একমাত্র গ্রেপ্তার না হওয়া অভিযুক্তকে ধরতে সক্ষম হওয়ায় পুলিশ অনেকটাই স্বস্তিতে বলে মনে করা হচ্ছে। কোচবিহার কলেজের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র তৃণমূল ছাত্র পরিষদ এর কলেজ ইউনিটের আহবায়ক মজিদ আনসারী তোলা আদায় বাধা দিলে তাকে বহিরাগত কিছু ছাত্র গুলি করে বলে অভিযোগ। এবছর ১৩ ই জুলাই স্টেশন লাগোয়া এলাকায় তাকে গুলি করা হয়। এরপর টানা ১২ দিন শিলিগুড়ির একটি নার্সিং হোমে চিকিৎসাধীন থাকার পর তার মৃত্যু হয়।

তার মৃতদেহ নিয়ে কোচবিহার জেলা পুলিশ সুপারের দপ্তরের সামনে দোষীদের গ্রেপ্তারের দাবিতে বিক্ষোভ দেখায় ছাত্রছাত্রীরা। পালন করা হয় বন্ধ। ওই ঘটনায় প্রথম গ্রেপ্তার হয় তৃণমূল কংগ্রেস নেতা মুন্না খান। এরপর একে একে সমস্ত অভিযুক্তকেই গ্রেপ্তার করতে সমর্থ হয়েছে পুলিশ।

 

 

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here