চিনের উহানের গবেষণাগারে কানাডা থেকে চুরি করা করোনাভাইরাসের জীবাণুর জিন বদল করে জীবাণুযুদ্ধের জন্য জৈব অস্ত্র বানানো হচ্ছিল, কোটিগুণ ক্ষমতাসম্পন্ন প্রাণঘাতী সেই করোনাভাইরাসের ক্যাপসুল ফেটে গিয়ে তা ছড়িয়েছে আকাশে-বাতাসে, বিশ্বজুড়ে মহামারি # বেঙ্গল ওয়াচের জন্য কলম ধরলেন বিশিষ্ট সাংবাদিক শ্যামলেন্দু মিত্র #

0
91256

শ্যামলেন্দু মিত্র # করোনা ভাইরাস বিশ্বজোড়া মহামারি হয়ে গেছে বলে ঘোষণা করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা হু।

# এই মহামারি হওয়ার জন্য চিন দায়ি।

# কানাডার গবেষণাগার থেকে করোনা ভাইরাসের জীবাণু চুরি করে চিন।

# সেই জীবাণু কানাডা থেকে নিয়ে যাওয়া হয় চিনের উহানের জৈব গবেষণাগারে।

# উহানের জৈব গবেষণাগারে করোনা ভাইরাসের জিন বদলে দেয় চিনা গবেষকরা।

# এই জিন বদলে দেওয়ার ফলে করোনা ভাইরাসের প্রাণঘাতী ক্ষমতা কয়েক কোটি গুণ বেড়ে যায়।

#  জিন বদলে দেওয়া প্রাণঘাতী করোনা ভাইরাসকে  চিন ক্যাপসুল বন্দি করতে থাকে জীবাণুযুদ্ধের জন্য।

# এই করোনাভাইরাসের অধিক ক্ষমতা সম্পন্ন প্রাণঘাতী ভাইরাসের ক্যাপসুল ফেটে তা উহানের গবেষণাগারের বাইরের আকাশেবাতাসে মিশে যায়।

# চিন চেয়েছিল, এই করোনা ভাইরাসের ক্যাপসুল দিয়ে শত্রু দেশকে শায়েস্তা করবে।

# সাদ্দাম হোসেন তার শত্রুদের এইভাবেই রাসায়নিক গ্যাসের ক্যাপস্যুল দিয়ে  মেরেছিল।

# আমেরিকা যেমন পরমাণু বোমা ফেলেছিল জাপানের হিরোসিমা-নাগাসাকি যমজ শহরে।

# জিনের গঠন বদলে ভয়ঙ্কর রাসায়নিক মারণাস্ত্র হয়ে গেছে নোভেল করোনাভাইরাস।

# এই বিস্ফোরক দাবি করেছেন মার্কিন অধ্যাপক-আইনজীবী ও রাসায়নিক মারণাস্ত্র বিরোধী সংগঠনের অন্যতম সদস্য ড. ফ্রান্সিস বয়েল।

# ফ্রান্সিসের বক্তব্য,জিনের গঠন বদলে আরও ভয়ঙ্কর হয়েছে নোভেল করোনাভাইরাস। সাধারণ করোনার থেকে এর বিষ অনেক বেশি হয়েছে। জিন-বদল করা অর্থাৎ জেনেটিক্যালি-মডিফায়েড এই করোনাভাইরাসের জন্মদাতা উহানের বায়োসেফটি গবেষণাগার লেভেল ফোর। এই তথ্য আগে থেকেই জানত বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা হু।

# আন্তর্জাতিক একটি সাংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এমনই বিস্ফোরক দাবি করলেন মার্কিন আইনজীবী তথা রাসায়নিক মারণাস্ত্র বিরোধী সংগঠনের অন্যতম সদস্য ড. ফ্রান্সিস বয়েল।

#  তার দাবি,জিন বদল করা শক্তিশালী রাসায়নিক মারণাস্ত্র করোনাভাইরাস ছড়িয়েছে উহানের ল্যাবরেটরি থেকেই।

# ইউনিভার্সিটি অব ইলিনয়েস কলেজের আইনের অধ্যাপক ড. ফ্রান্সিস বয়েল রাসায়নিক অস্ত্র নিরস্ত্রীকরণ সংগঠনেরও অন্যতম কর্ণধার । তাঁর উদ্যোগেই ১৯৮৯ সালে বায়োলজিক্যাল-ওয়েপনস-অ্যান্টি-টেররিজম -অ্যাক্টের বিল পাশ হয়। নোভেল করোনাভাইরাস যে নিছকই কোনও ভাইরাসের সংক্রমণ নয়, সে বিষয়ে আগেও মুখ খুলেছিলেন ড. ফ্রান্সিস।

# ইজরায়েলি গোয়েন্দা ও মাইক্রোবায়োলজিস্টদের দাবিকে সমর্থন জানিয়ে ড. ফ্রান্সিস বয়েল বলেন, উহানের ইনস্টিটিউট অব ভাইরোলজির বায়োসেফটি লেভেল ফোর ল্যাবোরেটরিতে অতি গোপনে রাসায়নিক মারণাস্ত্র বানানোর প্রক্রিয়া চলছে। সেখান থেকেই ছড়িয়েছে এই ভাইরাসের সংক্রমণ।

# সি-ফুড মার্কেটের ব্যাপারটা নেহাতই চোখে ধুলো দেওয়ার চেষ্টা।

# আর এই তথ্য বিলক্ষণ জেনেও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা হু  গোটা বিষয়টাকে ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা চালাচ্ছে।

# ড. ফ্রান্সিস বয়েল বলেন, উহানের এই বায়োসেফটি লেভেল ফোর ল্যাবোরেটরিকে সুপার ল্যাবোরেটরির তকমা দিয়েছিল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। বলা হয়েছিল, এই গবেষণাগারে ভাইরাস নিয়ে কাজ হলেও তা অনেক বেশি সুরক্ষিত ও নিরাপদ। গবেষণাগারের জন্যই রয়েছে আলাদা উইং যার বাইরের পরিবেশের সঙ্গে কোনও যোগাযোগ নেই।

# ড. ফ্রান্সিস বলেন, সার্স ও ইবোলা প্রাণঘাতী হয়ে ওঠার পরে অভিযোগের আঙুল ওঠে এই গবেষণাগারের দিকেই। রোগ প্রতিরোধ নয়, বরং প্রাণঘাতী জৈব অস্ত্র বানাতেই মত্ত গবেষকরা। যারই পরিণতি হাজার হাজার মৃত্যু। নোভেল করোনাভাইরাসের জিনগত বদল ঘটানো হয়েছে ও উহানের গবেষণাগার থেকেই যে ভাইরাস ছড়িয়েছে সেটাও জানেন হু-এর অনেক গবেষকই।

# নোভেল করোনাভাইরাস যে রাসায়নিক মারণাস্ত্র, নিশ্চিত করেছেন মার্কিন সেনেটর টম কটনও।

# কটনের দাবি, চিন জীবাণুযুদ্ধের জন্য যে বানাচ্ছিল ওই ভাইরাস সেকথা চিনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং  লুকোতে চাইছেন। কারণ আন্তর্জাতিক আইনে জীবাণুযুদ্ধ নিষিদ্ধ। তাঁরা যে এই নিয়ে পরীক্ষানিরীক্ষা করছিলেন তা জানাজানি হলে শাস্তির মুখে পড়তে হবে।

# ২০১৫ সালে রেডিও ফ্রি এশিয়া তাদের রিপোর্টে দাবি করেছিল, উহান ইনস্টিটিউট অব ভাইরোলজিতে ভয়ঙ্কর, প্রাণঘাতী সব ভাইরাস নিয়ে কাজ করছেন গবেষকরা। এর অর্থ জৈব রাসায়নিক মারণাস্ত্রের দিকে ক্রমশ ঝুঁকছে বেজিং।

# সেই আশঙ্কাই প্রমাণ হল,চিন জীবাণুযুদ্ধের জন্য করোনাভাইরাসের জিন বদল ঘটিয়েছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here