তৃণে-পদ্মে” মৃদু চরণে ‘মিত্র’তার রসায়নে ভবানীপুরে ‘মদন’বাণের লক্ষ্য প্রায় স্থির

0
29

মদন মোহন সামন্ত  :১৭ জুলাই, কলকাতা : ভূতের মুখে রাম নাম’ নয়, খোদ তৃণমূল কংগ্রেসের প্রাক্তন মন্ত্রীর মুখে রাম নাম!রাজ্যের দিগবলয় যখন ক্রমশ গৈরিক রং ধারণ করছে সেই আবহের মাঝে তৃণমূল কংগ্রেসের নেতা প্রাক্তন মন্ত্রী মদন মিত্র ‘জয় শ্রীরাম’ ধ্বনির মোকাবিলায় ভবানীপুরে তাঁর নিজের বাড়িতে “সিয়ারাম” অর্থাৎ “রাম-সীতা”র পুজোর আয়োজন করেছেন। এমনটি বলছেন প্রাক্তন মন্ত্রীর কাছের লোকজন। মিত্রমশাই নিজে অবশ্য বলছেন,

“রামের পুজো করা যাবে না একথা তৃণমূলের সংবিধানে দেখিনি। তৃণমূল তো আমাকে কখনও বলেনি রামের পুজো করা যাবে না।”

এই ধরণের বিতর্কিত কর্মকান্ড এবং মন্তব্যের জন্যই মদন মিত্র আলোচনার কেন্দ্রে থাকেন প্রায়শই।

খোদ নিজের বাড়িতেই রাম-সীতার পুজোর আয়োজন করছেন মদন মিত্র । সেখানে থাকবে ‘রামকথা’ও। রামকথা শেষে থাকবে ‘ঢালাও প্রসাদ’এর ব্যবস্থা।

আগামী সপ্তাহেই ভবানীপুরে তাঁর আপন বাড়িতে ঘটা করে ভক্তদের হাজির থাকার আমন্ত্রণ দিয়ে রেখেছেন রাজ্যের প্রাক্তন ক্রীড়া ও পরিবহন মন্ত্রী। সে আমন্ত্রণপত্র যথাসময়ে পৌঁছে গিয়েছে রামভক্তদের কাছে।

তাঁর রামভক্তি নিয়ে রাজনৈতিক মহলে চলেছে জোর চর্চা। সে প্রসঙ্গ উঠলে তাঁর মন্তব্য, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় চণ্ডীপাঠ না শুনে বাড়ি থেকে বেরোন না।

রাম শুধু ভারতীয় জনতা পার্টির একার নয়। রামের পুজো করার অধিকার সবার রয়েছে ।রাম-সীতা-লক্ষ্মণ, দুর্গা সকলের পুজো করি আমরা।”

সম্প্রতি ভাটপাড়া বিধানসভা কেন্দ্রের উপনির্বাচনে তৃণমূল প্রার্থী মদন মিত্র সাংসদ অর্জুন সিংয়ের পুত্র পবন সিংয়ের কাছে পরাজিত হন। তারপর একটি ফেসবুক লাইভে “সামনে সব রাস্তাই এখন খোলা” মন্তব্য করে দলের রোষাগ্নিতে পড়েন তিনি। অতঃপর ‘রামকথা’র এমন আয়োজন তুলে দিয়েছে অনেক প্রশ্ন।

এই প্রসঙ্গে বক্তব্যকে আরও একটু টেনে তিনি বলেন, “আমরা রামের পুজো করব । সীতার পুজো করব । লক্ষ্মণের পুজো করব । হনুমানজির পুজো করব । দুর্গাপুজো করব।

আবার নমাজের সময় মুসলমানদের পাশেও দাঁড়াব । ধর্ম যার যার, উৎসব সবার। আমরা একটা রামকথা শুরু করতে চাইছি । আমার বাড়িতে রাম পুজো হয়। আমি জয় জগন্নাথ বলতে পারি। আর রাম-সীতা বলতে পারি না ? কে বলল রাম বিজেপি’র ? রাম আমার। রামও আমার, রহিমও আমার।” “রাম কহো!”

 

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here