মুক্তি পেল বাংলা হরর শর্ট ফিল্ম ‘প্লট নং ৬৬৬’ এর পোস্টার

0
90

আরিয়া মিডিয়া এবং জয়দীপ রায় প্রযোজিত শর্ট ফিল্ম প্লট নম্বর ৬৬৬ এর পোস্টার মুক্তি পেল। জয়দীপ রায়েরই গল্প অবলম্বলে এই সিনেমার স্ক্রিপ্ট লেখা এবং সিনেমার পরিচালনা করেছেন কল্লোল নস্কর। সহপরিচালনায় রয়েছেন সায়ন্তন সেন।

এছাড়া পরিচালকদের কাজে সাহায্য করেছেন পায়েল দে এবং শৌভিক কুণ্ডু। অভিনয়ে রয়েছেন- জ্যোতির্ময় মন্ডল, সোমনাথ চক্রবর্তী, লাবণি দাস এবং সম্পূর্ণা নাহা। এই শর্ট ফিল্মে ক্যামেরার দায়িত্বে রয়েছেন শুভম মাইতি। প্লট নম্বর ৬৬৬ প্রসঙ্গে পরিচালক কল্লোল নস্কর জানালেন- ‘একটা বয়স্ক লোকের বাড়ি ছিল। তিনি মারা যাওয়ার পর সেটা দীর্ঘদিন ধরে পরে আছে। একদিন একটা বাচ্চা মেয়ে একটা স্মাইলি বল নিয়ে খেলতে খেলতে সেই বাড়ির ওখানে যায় কিন্তু ফেরে না।

এরপর বেশ কিছুদিন পর কলকাতায় চাকরি করা একটা মেয়ে একটা দালালের সূত্রে কম খরচায় সেই বাড়িতে ভাড়া নিয়ে আসে। সে চাবি খুলে বাড়িতে ঢুকে জিনিসপত্র রাখার একটু পরেই কিছু ভৌতিক কার্যকলাপ শুরু হয়। মেয়েটা বুঝতে পারে না কি হচ্ছে। ভয় পেয়ে তাড়াতাড়ি বাড়ি থেকে বেরোতে যায় কিন্তু দরজা বন্ধ হয়ে যায়। এখানেই গল্পটা শেষ হয়। দর্শকরা যখন দেখবেন পুরো গল্পটা আরও ভালো করে বুঝতে পারবেন।’

সহপরিচালক সায়ন্তন সেন এই সিনেমা নিয়ে কি বললেন শুনে নেওয়া যাক- ‘প্রায় এক মাস আগে একদিন কল্লোলদা আমাদের বাড়ি আসে এবং একটা গল্প শোনায়। তারপর বলে গল্পটা কেমন লাগলো তোর? আমি বললাম বেশ ভালো গল্পটা। তারপর ও বলে এই গল্প নিয়ে একটা শর্ট ফিল্ম করব ভেবেছি। তুই যদি সঙ্গে থাকিস সহপরিচালক হিসাবে খুব ভালো লাগবে।

আমি রাজি হয়ে যাই। কারণ কল্লোলদা এর আগে ফিচারে কাজ করেছে। তাই ওর সাথে কাজ করার ইচ্ছাটা অনেকদিন ধরেই ছিল। ফাইনালি আমাদের শর্ট ফিল্মটা শুট হয় যাদবপুরে। খুব ভালো লেগেছে কল্লোলদার সঙ্গে কাজ করে। একটা অন্যধরনের গল্প। অনেক কিছু শিখতে পেরেছি। আমাদের সিনেমায় যারা অভিনয় করেছে তারাও খুব ভালো কাজ করেছে।

ফলে টেক নিতে কম হয়েছে। আর একজনের কথা বলতেই হয়। আমাদের ফটোগ্রাফার শুভম। শুভম এর সঙ্গে আমার কলেজ থেকে পরিচয়। তবে এখন সিনেমার সূত্রে আমাদের দেখাটা বেশি হয়। খুব ভালো করে কাজ করেছে ও। আমরাও যতটা সম্ভব হেল্প করেছি। একটা দারুন অভিজ্ঞতা হয়েছে। দর্শকদেরও ভালো লাগবে।’

অভিনেতা সোমনাথ চক্রবর্তী জানালেন, ‘আমি এই সিনেমায় একজন রিক্সা চালকের ভূমিকায় অভিনয় করছি। রিক্সায় অনেকবার চরেছি। কিন্তু প্রথম রিক্সা চালানোর অভিজ্ঞতা অন্যরকম। আশাকরি সবার খুব ভালো লাগবে।’ এই সিনেমায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল অভিনেত্রী লাবণি দাসের। এই সিনেমায় অভিনয়ের অভিজ্ঞতা নিয়ে তিনি জানালেন, ‘এর আগে কয়েকটা শর্ট ফিল্ম করেছি। তবে এরকম হরোর টাইপের শর্ট ফিল্মে কাজ করার অভিজ্ঞতা এই প্রথম। খুব ভাল লেগেছে কাজ করে। শুটিং-এর সময় অনেক মজা করেছি।

কল্লোল দা এবং সায়ন্তন খুব হেল্প করেছে। আশা করি দর্শকদেরও ভালো লাগবে। সিনেমার ফটোগ্রাফার শুভম মাইতি আমাদের জানালেন- ‘কল্লোলদার গোটা বিষয়ে একটা স্বচ্ছ ধারণা বরাবরই ছিল যেটা প্রথম দিন থেকেই আমার ভালো লেগেছিল। কোন শট কিভাবে নিতে চাই সেই নিয়ে একটা স্পষ্ট মত ছিল। তাই কল্লোলদা প্রথম যখন গল্পটা বলে সেটা ভিসুয়ালাইজ করতে অসুবিধা হয়নি। আর হরোর জেনার বলে লাইটিং এর এক্সপেরিমেন্টের সুযোগ থাকায় বাড়তি উৎসাহ পেয়েছিলাম।

আর সায়ন্তন তো আমার সব কাজকেই খুব ভালোভাবে সাপোর্ট করে। সব মিলিয়ে অসাধারণ সম্মিলিত প্রচেষ্টা। এবার যা বলার ভালো-খারাপ সব দর্শকরা বলবে।’

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here