বড়জোড়ার প্রথম উৎকর্ষিনী তিয়াসা

0
1127

তারাশঙ্কর গুপ্ত, বাঁকুড়ার :মা দুর্গার আরেক নাম।নারী শক্তি র অগ্রগতির লক্ষ্যে এবং নারীর ব্যক্তিত্ব বিকাশের উদ্দেশ্যে বড়জোড়ায় শারদ উৎসবের প্রাক্কালে গঠিত হয় স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা উৎকর্ষিনী।

তারা উদ্যোগ নিয়েছিল গোটা ব্লক জুড়ে ৩৫বছর বয়স পর্যন্ত নারীদের একটি ব্যক্তিত্ব প্রতিযোগিতার।শুক্রবার বড়জোড়ার উন্মেষ হলে হয়ে গেল তার গ্রান্ড ফিনালে। বিজয়ীনী হলেন বেলিয়াতোড়ের তিয়াসা চ্যাটার্জি।

দুর্গা পূজার সময় ব্লকের বিভিন্ন জায়গার মন্ডপ থেকে বেছে নেওয়া হয় বাইশ জন প্রতিযোগীকে।শুক্রবার সকাল থেকে শুরু হয় এই প্রতিযোগিতা। ফাইনালে পৌঁছান আটজন। ব্যাক্তিগত সুকুমার বৃত্তির প্রদর্শন থেকে,রাম্পে হাঁটা,প্রশ্নোত্তর পর্ব মুগ্ধ করে দর্শকদের।

অনেকেই বলতে বাধ্য হলেন আমাদের বড়জোড়ার মেয়েরাও ব্যাক্তিত্ব প্রতিযোগিতায় জাতীয় স্তরের চেয়ে কম যায় না। এই এক মাসে উৎকর্ষিনী আমূল বদল এনেছে মানসিকতায় ও।যেমন এই প্রতিযোগিতায় বৌমা অংশগ্রহণ করেছেন তাই উৎসাহ দিতে সকাল থেকে সপরিবারে বসে রইলেন বড়জোড়ার জটাশঙ্কর ব্যানার্জি।

হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ে উৎকর্ষিনী ২০১৮ শিরোপা পেলেন তিয়াসা চ্যাটার্জি। তিনি জানান এই প্রতিযোগিতায় বিজয়ী হয়ে খুব ভালো লাগছে। আমি ভবিষ্যতে নারীর অধিকার রক্ষায় কাজ করে যেতে চাই।

উপস্থিত ছিলেন বড়জোড়া পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি কাজল পোড়েল,বিশিষ্ট সাংবাদিক দেবাশিস মৌলিক,জেলা পরিষদ সদস্য সুখেন বিদ এবং বেশ কিছু বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব।বিজয়ীনীর মাথায় মুকুট পরিয়ে দেন উৎকর্ষিনী কমিটির পক্ষ থেকে বিশিষ্ট সমাজসেবী অর্চিতা বিদ।

উৎকর্ষিনী কমিটির অন্যতম দুই সদস্যা অর্চিতা বিদ এবং সোমা মুখার্জি বলেন এটি সৌন্দর্য প্রতিযোগিতা নয়।এটি ব্যাক্তিত্ব প্রতিযোগিতা। আমরা অভিভূত এখানকার মেয়েদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে ও তাদের প্রতিভার বিচ্ছুরণে। ভবিষ্যতে আমরা নারীদের জন্য আরো অনেক কাজ করতে চাই।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here