ঘুঘুর বাসায় পরিণত হয়েছে শান্তিপুর পশু হসপিটাল, রাজ্য সরকার নির্বিকার

0
410

সূর্য চট্টোপাধ্যায়, নদীয়া: দীর্ঘদিনের অভিযোগ কিন্তু কোনোরকম সমাধান নেই । সকাল ৯.১৫ -র মধ্যে শান্তিপুর পশু হসপিটাল খোলার কথা, সেটা হয় না।

সকাল ৯.১৫ থেকে ৯.৩০ এর মধ্যে পশু হসপিটালের সকল কর্মী ও আধিকারিককে অফিসে উপস্থিত থাকার কথা, সেটাও হয় না। আগে অনেকবার এই নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দারা শান্তিপুর পশু হসপিটালের আধিকারিকদের বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন।

সঠিক সময়ে কোনও আধিকারিক অফিসে আসেন না, পশু চিকিৎসক অধিকাংশ দিন তাঁর চেম্বারে থাকেন না, টিকিট করেও অধিকাংশ দিন পশুর ডক্টর না দেখিয়েই ফিরে যেতে হয় পশুর মালিককে।

এছাড়াও, পশুর কোনোরকম ওষুধ পাওয়া যায় না শান্তিপুর পশু হসপিটালে। রেফার করে দেওয়া হয় যেকোনো অজুহাতে, এমনটাই বিস্ফোরক অভিযোগ পশু হসপিটালে আসা ভুক্তভোগীদের। এ কতদিন চলবে?

বারবার করে প্রতিবাদ হচ্ছে, অবরোধ হচ্ছে, কিন্তু কিছুই বদলাচ্ছে না। অভিযোগ রাজ্য সরকার সব দেখেও কোনো ব্যবস্থা নিচ্ছে না। প্রচুর অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও গ্রুপ ডি কর্মীর কাছে প্রতিক্রিয়া জানতে গেলে সাংবাদিককে রীতিমতো হেনস্থা করা হচ্ছে।

সাংবাদিকের পরিচয়পত্র দেখতে চাইছেন সেই গ্রুপ ডি কর্মী। পরিচয়পত্র দেখার পরও সাংবাদিকের প্রশ্নের উত্তর না দিয়ে বিভ্রান্তি ছাড়ানোর চেষ্টা করছেন শান্তিপুর পশু হসপিটালের ওই গ্রুপ ডি কর্মী।

স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ রীতিমতো ঘুঘুর বাসায় পরিণত হয়েছে শান্তিপুর পশু হসপিটাল আর এর শিকড় অনেকদিনের। সূত্রের খবর , ডঃ দিলীপ কুমার নস্কর এই দুর্নীতিতে সরাসরি যুক্ত। ২৬ শে জানুয়ারী এই রাজ্য সরকারি প্রতিষ্ঠানে ২০১৯ সালে ভারতের পতাকা উত্তোলন হয়নি বলেও অভিযোগ ওঠে।

এখন প্রশ্ন হলো এইরকম কতদিন চলবে? রাজ্য সরকার সব জেনেও যদি কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ না করেন তবে এই বিষয় নিয়ে পরিস্থিতি যখন সামাল দেওয়ার বাইরে চলে যাবে তখন এর দায় কে নেবে? এটাই এখন লাখ টাকার প্রশ্ন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here