বেঙ্গল ওয়াচ নিউজ ডেস্ক:এই সরকার সমস্ত কিছু ঠিক করার চেষ্টা চলছে। সাধারণ মানুষের কাছে আবেদন, এবার আপনারাও প্রতিবাদ করুন। অভিযোগ বারবার এসেছে।
কোনোদিন সমাধানের চেষ্টা হয়নি। যত রকমের বেআইনি কাজ হোটেল রেস্তোরাঁতে হয়। খাওয়া দাওয়ার ব্যাপারে আমরা কম গুরুত্ব দিই। তাই আমাদের স্বাস্থ্য খারাপ। আবার ভালো চিকিৎসা পাবেন তারও উপায় নেই। কারণ আগের সরকার স্বাস্থ্য পরিষেবা বলেও কিছু রাখেনি।
২) ৯১৯ হোটেল গেস্ট হাউসের লাইসেন্স সাসপেন্ড।
পুজোয় প্রচুর মানুষ এখানে আসেন। এতো হোটেল গেস্ট হাউসের লাইসেন্স ক্যানসেল হলে তারা কলকাতায় এসে থাকবেন কোথায়? তাই আমার পরামর্শ, এখনও সময় আছে। আপনারা সব পরিকাঠামো ঠিকঠাক করে নিন। সরকারের কাছে লাইসেন্স রিনিউ করার আবেদন জানান। নাহলে পুজোয় এর প্রভাব পড়বে। যারা হোটেল চালাচ্ছেন তাদের সতর্ক থাকতে হবে। গত ১০ বছরে যে যেমন খুশি পেরেছে হোটেল করে নিয়েছে। আমি মন্দারমনি গিয়ে দেখেছি সমুদ্রের ওপর হোটেল হয়ে গেছে। এইভাবে তো চলতে পারেনা। প্রকৃতির ক্ষতি করে হোটেল করলে তো এখানেও নেপাল বা সিকিমের মতো অবস্থা হবে।
৩) স্মিতা পান্ডের উপস্থিতিতে মধ্যরাতে রাস্তা সারাই।
মুখ্যমন্ত্রী পূর্ত দফতরকে ৫০০ কোটি দিয়েছেন। আমি পঞ্চায়েত থেকে রাস্তা সারাইয়ের টাকা দিয়েছি। ১০ অক্টোবরের মধ্যে সব রাস্তা ঠিক হয়ে যাবে।
৪) মুখ্যমন্ত্রীর গেরুয়া যাত্রা।
বাংলার মাথায় কালো দাগ হয়ে গেছে যাদবপুর। এই শহর থেকে দুটি দেশের জাতীয় সঙ্গীত রচনা হয়েছিল। সেই শহরের বুকে ভারত বিরোধী স্লোগান দেওয়া হয়েছে বারেবারে। দেশের অখণ্ডতা কে যাদবপুর থেকে চ্যালেঞ্জ করা হয়েছে। কিছু অর্বাচীন ছাত্রছাত্রীকে ভুল বুঝিয়ে এগুলো করানো হয়েছে। অথচ এই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বেরিয়ে তারা স্লোগান ভুলে গিয়ে উজ্জ্বল কেরিয়ার গড়েছে। সারা দেশে সফল ভাবে রাষ্ট্রবাদী আন্দোলন চলছে। আমরা চাই যাদবপুর থেকে ভারত তেরে টুকরে হোঙ্গে স্লোগানের বদলে রাস্ট্রবাদী স্লোগান উঠুক। তাই একটা পজিটিভ ভাইব তৈরি করতে এই ধরনের কর্মসূচির প্রয়োজন আছে।
