বিদ্যালয়ের বইমেলার উদ্বোধনের মন্ত্রী সিদ্দিকুল্লা

0
47

সমাপ্তি রায়: “বইয়ের কোনো বিকল্প নেই। বই বাদ দিয়ে কেউ বড় হতে পারে না। একজন গবেষক গবেষণা করতে সাতজন গবেষকের বই পড়তে হয়। বই খুঁজে থিসিস পড়তে হয়। বইয়ের পৃষ্ঠা উল্টে আসে সে গন্ধ। ছেলেমেয়েরা বেশী করে বই পড়ুক ।

লেখাপড়ার বিষয়ে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে বই। পড়াশুনার শেষ নেই”- নিউব্যারাকপুর কলোনি বয়েজ হাই স্কুল আয়োজিত পঞ্চম বর্ষ বইমেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এসে কথাগুলি বললেন রাজ্যের গ্রন্থাগার মন্ত্রী জনাব সিদ্দিকুল্লা চৌধুরী।

শুক্রবার সন্ধ্যায় বিদ্যালয়ের উনসত্তরতম প্রতিষ্ঠা দিবসে উদযাপন পুরষ্কার বিতরণ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে মন্ত্রী ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন সাহিত্যিক নলিনী বেরা, বিশ্ব সেবাশ্রম সঙঘের প্রতিষ্ঠাতা ঠাকুর শ্রীসমীরেশ্বর, পুরপ্রধান তৃপ্তি মজুমদার, উপ পুর প্রধান মিহির দে, প্রাক্তন পুরপিতা সুখেন মজুমদার,বাগদার বিধায়ক দুলাল বর, কবি কালিদাস ভদ্র সহ আরও অনেক ব্যক্তিত্ব।

অনুষ্ঠানে স্বাগত ভাষণ দেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ড. অনিরুদ্ধ বিশ্বাস। তিনি বলেন “বিদ্যালয়ের ৬৯ তম প্রতিষ্ঠা দিবস উদযাপন উপলক্ষ্যে ৭ দিন ব্যাপী চলবে এই বইমেলা। আজ তার উদ্বোধন হল”। আনন্দ, পারুল, দেজ, নির্মল বুক এজেন্সি, শিশু সাহিত্য সংসদের মত ১৮ টি প্রকাশনা সংস্থা ও লিটল ম্যাগাজিন হাজির হয়েছে।

এবারের থিম – বাংলাদেশ। এবারের স্লোগান — বই আমাদের শ্রেষ্ঠ সঞ্চয়। এদিন পঞ্চম থেকে সপ্তম শ্রেণির ছাত্রদের মেধা ও উৎকর্ষ পুরস্কার প্রদান করা হয়।

কবি কালিদাস ভদ্র সম্পাদিত ‘শিশু কিশোর আবৃত্তি ও কবিতা’ এবং সেরা ‘লেখকদের মাস্টারমশাইয়ের গল্প’ বইদুটির উদ্বোধন করেন নলিনী বেরা। শুরুতে উদ্বোধনী সঙ্গীত পরিবেশন করেন বিদ্যালয়ের ছাত্ররা।সৃজিত মিউজিক ওয়ার্কশপের শিল্পীরা এদিন সমবেত সঙ্গীত পরিবেশন করেন।

রাজ্যের গ্রন্থাগার মন্ত্রী বিদ্যালয়ের বিজ্ঞান প্রদর্শনীর উদ্বোধন করেন। সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের বিশেষ আকর্ষণ ছিল পদাবলী কীর্তন কালীকৃষ্ণ কথা। পরিবেশনায় ছাত্রবৃন্দ। বাঁশি বাজান শৌনাভ দাস।নৃত্য পরিবেশন করেন অঙ্কিতা সমাদ্দার ও তার ছাত্রীরা। সমগ্র অনুষ্ঠানটির সঞ্চালনার দায়িত্বে ছিলেন অম্লান দাশগুপ্ত ও সৌরভ সমাদ্দার। মেলা চলবে ৩রা জানুয়ারি পর্যন্ত।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here