নিউটাউন পাথরঘাটা মন্ডল পাড়ার (মাল পাড়া)বাসিন্দা চঞ্চল মন্ডল কে ঘরে ঢুকে এলোপাথাড়ি গুলি।নিউটাউন এর বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে গেলে মৃত বলে ঘোষণা।তিনটি গুলি লাগে তার।এক দুস্কৃতিকে ধরে ফেলে তার ভাই দেবব্রত মন্ডল।সেই সময় তাকে মারধর করে বন্দুকের বাট দিয়ে মাথায় মেরে বাইকে করে চম্পট দেয়।যাওয়ার সময় ও গুলি চালায় বলে অভিযোগ।ঘটনার তদন্তে নিউটাউন থানার পুলিশ।

চঞ্চল মন্ডল পেশায় একজন জমি মাপ জোপের (আমিন) কাজ করতো তার সাথে জমি কেন বেচারও কাজ করতো।এই কাজের সাথে তার ভাই দেবব্রত মন্ডল ও এক সাথে কাজ করতো।সঙ্গে তার একজন পার্টনার ও ছিল।তার ভাই ও সেই পার্টনার বৃন্দাবন বিশ্বাস কেও জিজ্ঞাসা বাদ করা হয়।

ভাই দেবব্রত মন্ডল এর দাবি গতকাল মুর্শিদাবাদ এর বাসিন্দা পরিচয় দিয়ে রফিকুল শেখ নামে একজন গতকাল সকাল সাড়ে ছটা নাগাদ আসে মুর্শিদাবাদ এর একটা জমির কাগজ দিয়ে যায়।জমির প্লান করার জন্য তার জন্য ৫০০ টাকা দেওয়ার কথা হয়।আজ দুপুরে ভাই ফোন করে প্লান নিয়ে যাওয়ার জন্য।সেই মতো ৭ টা নাগাদ দুষ্কৃতীরা বাড়িতে চলে আসে।

প্রথমে মেয়ে যখন বাড়ির সামনে দাঁড়িয়ে ছিল সেই সময় মেয়েকে জিজ্ঞাসা করে চঞ্চল বাড়িতে আছে কিনা। ৪ জন দুষ্কৃতী ছিল।বাইক নিয়ে।তখন মেয়ে বলে সে বাড়িতে নেই ।এর পর মেয়ে ঘরে ঢুকে যায়।তখন দেবব্রতর সাথে তারা কথা বলে প্লান দিয়ে দেয় দুষ্কৃতীদের তার বিনিময়ে ৫০০ টাকা দেয় তার ভাইয়ের হাতে।তখন দুষ্কৃতীরা বলে তোমার দাদা কে ডাক কিছু কথা আছে।চঞ্চল সেই সময় পাথরঘাটা বাজার এ ছিল।ভাই ফোন করে তাকে বাড়িতে ডাকে বাইক চালিয়ে বাড়িতে এসে বেশ কিছুক্ষন ঘরের মধ্যে তাদের সাথে কথা বলে।বেরিয়ে যাওয়ার সময় দরজার কাছে আসতেই তাকে লক্ষ করে গুলি চালায়।তিনটি গুলি লাগে তার।

গুলি করে পালানোর সময় ভাই একজন কে ধরে ফেলে কিন্তু তারা তাকে মারধর করে বন্দুকের বাট দিয়ে কপালে মেরে গুলি চালাতে থেকে।সেই সময় ভয়ে ছেড়ে দেয়।তারা বাইকে করে চম্পট দেয়।তড়িঘড়ি চঞ্চল কে নিউটাউন এর বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে গেলে মৃত বলে ঘোষণা করে ডাক্তার।খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় নিউটাউন থানার পুলিশ।পরে ঘটনাস্থলে যায় বিধান নগর গোয়েন্দা শাখার পুলিশ।পরিবারের প্রত্যেক এর সাথে কথা বলে।থানায় ভাই ও পার্টনার কে জিজ্ঞাসা বাদ করা হয়।

মেন রাস্তা দিয়ে গলির মধ্যে কিছুটা যাওয়ার পর তার বাড়ি ।রাস্তার দুপাশে অনেক বাড়ি আছে কিন্তু গুলি চলার আওয়াজ পায়নি।কারণ তাদের দাবি সেই সময় বাজি ফটছিলো।।।পরে চিৎকার শুনে সবাই বাইরে বেরোয়।এবং বাইক নিয়ে পালাতে দেখে।

তবে কি কারণে এই খুন সেই বিষয়ে কিছু জানা সম্ভব হয় নি।তবে পুলিশের অনুমান যেহেতু জমি জমা নিয়ে কাজ করতো সেই কারণে কোনো টাকা পয়সা সংক্রান্ত বিবাদ না কি তার পিছনে অন্য কোনো রাহস্য আছে কিনা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here