শুভেন্দু অধিকারির জেলায় জেলায় ঠাসা কর্মসূচি # নন্দীগ্রামে বিরাট জমায়েত ১০ নভেম্বর # তার প্রস্তুতি তুঙ্গে # বিভিন্ন জেলা থেকে অনুগামীরা উপস্থিত থাকবেন

0
73

নিজস্ব সংবাদদাতা # শুভেন্দু অধিকারীর মুর্শিদাবাদে যাওয়ার কথা ছিল ৮ নভেম্বর। জেলা পরিষদের সভাধিপতি বৈদ্যনাথ দাস এনিয়ে পোস্টার ও ব্যানার ছাপিয়েছিলেন।

সেখানে উল্লেখ করা ছিল সম্পূর্ণ অরাজনৈতিক কারণে জেলা সফর করবেন তিনি।

মুর্শিদাবাদ জেলা পরিষদের বন ও ভূমি কর্মাধ্যক্ষ প্রয়াত মফিজউদ্দিন মণ্ডলের স্মরণসভায় যোগ দেওয়ার কথা তাঁর।

কিন্তু ৬ নভেম্বর শুক্রবার বিকেলে হঠাৎই শুভেন্দু অধিকারী মুর্শিদাবাদ সফরে চলে যান। প্রথমে তিনি যান বেলডাঙা ভারত সেবাশ্রম সংঘে। সেখানে ঢুকেই প্রথমে প্রণাম করেন প্রণবানন্দের প্রতিকৃতিতে। সেখানে প্রায় আধঘন্টা সময় কাটান মহারাজদের সঙ্গে। সেখানে শুভেন্দু অধিকারীকে ডাবের জল দেওয়া হয়। শুভেন্দু অধিকারীর এই সফর সম্পর্কে বেলডাঙা ভারত সেবাশ্রম সংঘের তরফ থেকে বলা হয়েছে, মন্ত্রী পরিবারের সদস্যরা ভারত সেবাশ্রম সংঘের সঙ্গে যুক্ত। আগামী দিনে শুভেন্দু অধিকারীও ভারত সেবাশ্রম সংঘের সঙ্গে যুক্ত থাকার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন।

বেলডাঙা ভারত সেবাশ্রম সংঘ থেকে শুভেন্দু অধিকারী সরাসরি  যান, পুরসভার ১০ নম্বর ওয়ার্ডের বুড়িমাতলায়। সেখানেই ২৬ অক্টোবর বিজয়া দশমীর দিন ঠাকুর বিসর্জন করতে গিয়ে ডুমনিতলা ঘাটে ৫ যুবক নৌকা ডুবিতে মারা যায়।

শুক্রবার সন্ধেয় শুভেন্দু অধিকারী তার প্রাক্তন সাংসদ সদস্য তহবিল থেকে পাঁচ মৃত যুবকের পরিবারকে আর্থিক সাহায্য করলেন ও সর্বতোভাবে পাশে থাকার আশ্বাস দেন।

শুভেন্দু অধিকারী সাংসদ থাকাকালীন ১২ লক্ষ টাকা অ্যাকাউন্টে ছিল। তার থেকে শুক্রবার তিনি মোট ১০ লক্ষ টাকা ৫ টি পরিবারের হাতে তুলে দেন।

অনেকেই এই সফরকে তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন।

জেলা প্রশাসন কিংবা তৃণমূল জেলা নেতৃত্বের কাছে শুভেন্দু অধিকারীর এই সফর নিয়ে কোনও তথ্যই ছিল না।

বৃহস্পতিবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নবান্ন থেকে ভার্চুয়ালি প্রশাসনিক বৈঠক করেন।

বৈঠকে হাজির ছিলেন না শুভেন্দু অধিকারী।

তিনি সন্ধেয় গিয়েছিলেন খড়গপুরে একটি ক্লাবের অনুষ্ঠানে।

১৩ নভেম্বর বাঁকুড়ায় যাচ্ছেন শুভেন্দু অধিকারী।

রবীন্দ্র সরণী ইউনাইটেড ক্লাবের শ্যামা প্রতিমার মূর্তির উন্মোচন অনুষ্ঠানে তাঁকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।

১০ নভেম্বরের তার নিজের জেলা পূর্ব মেদিনীপুরের নন্দীগ্রামের তেখালিতে ভূমি উচ্ছেদ প্রতিরোধ কমিটির ডাকে সভার আয়োজন করা হয়েছে। তা নিয়ে প্রস্তুতি তুঙ্গে। বিভিন্ন জেলা থেকে বহু সংখ্যক যানবাহন ইতিমধ্যেই ভাড়া করা হয়েছে। শয়ে শয়ে মানুষ সেদিন তেখালিতে যাবে।

আমরা দাদার অনুগামীরা আমরা অনুগামী ছাপ দিয়ে গেঞ্জি তৈরি করে ফেলেছেন। যা  অনুগামীদের মধ্যে বিলি করা শুরু হয়ে গিয়েছে।

১০ নভেম্বরের অনুষ্ঠানে অনুগামীদের অনেককেই এই গেঞ্জি পরে দেখা যাবে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here