রোগী মৃত্যু কে ঘিরে চাঞ্চল্য মালদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে

0
22

মালদা : চিকিৎসায় গাফিলতির অভিযোগ তুলে উত্তেজনা ছড়ালো মালদা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে। মৃতের আত্মীয়রা মেডিক্যাল কলেজের সহায়তা কেন্দ্র অফিস রুম ভাঙচুর চালায় । ভাঙচুর করে দেওয়া হয় অফিস ঘরের কম্পিউটার ঘর, চেয়ার টেবিল ও সকল অফীসে সকল জিনিস জানালা, কাউন্টারের দরজা ও কাঁচের জানালা।

মৃত রোগীর আত্মীয়দের এই তান্ডব দেখে প্রাণ বাচতে মেডিকেল কলেজের সহায়তা কেন্দ্রের অফিস ছেরে পালায় সকল অফিস কর্মীরা।‌ বুধবার সকালে এই ঘটনার খবর পেয়ে ছুটে আসে ইংরেজ বাজার থানার আই সি পূর্ণহন্দু কুন্ডু সহ বিশাল পুলিশ বাহিনী ।

পরিস্থিতি পরে পুলিশি হস্তক্ষেপে নিয়ন্ত্রণে আসে।পুলিশ ও মেডিক্যাল কলেজ সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃত রোগীর নাম কাইয়ুম আলী (৫৫)। মঙ্গলবার বিকেল তিনটা নাগাদ প্রচন্ড জ্বর অবস্থায় কাইয়ুম আলি ভর্তি হন মালদা মেডিক্যাল কলেজ হসপিটালে।কাইয়ুম আলীর বাড়ি কালিয়াচক থানার সুজাপুর এলাকায়।মৃতের পরিবারের লোকেদের অভিযোগ, প্রথমে তাকে সংক্রমণ বিভাগে ভর্তি করা হয়। সেখানে পরীক্ষার মাধ্যমে জানা যায় তার শরীরের প্লেটলেট অনেকটাই নেমে গেছে। সেই কারণে রক্তের প্রয়োজন হয়।

রক্ত দিতে দেরি হয় বলে অভিযোগ পরিবারের তরফে। এই নিয়ে হসপিটেলের গার্ডদের সাথে মঙ্গলবার রাতে ঝামেলাও হয় পরিবারের লোকেদের।অভিযোগ, রোগীকে রক্ত দিতে যাওয়ার সময় পরিবারের কাউকেই ঢুকতে দেওয়া হয়নি বল অভীযোগ। তবে রাতেই বিষয়টি মিটমাট হয়ে যায়।তবে মধ্যরাতেই ওই রোগীর মৃত্যুরখবর চিকিৎসকেরা জানিয়ে দেন পরিবারের লোকজনকে। চিকিৎসায় গাফিলতির কারণেই এই মৃত্যু, সঠিকসময়ে রোগীকে রক্ত দেওয়া হয়নি বলেও অভিযোগ তোলেন পরিবারের লোকেরা।

ওই রোগীর মৃত্যু হাওয়াতেই আত্মীয় পরিজনদের মধ্যে ক্ষোভ বাড়তে শুরু হয় ।মেডিক্যাল কলেজের গার্ডদের দুর্ব্যবহার এবং চিকিৎসায় গাফিলতির অভিযোগ তুলেই বুধবার ভোর থেকেই তুলকালাম বেঁধে যায় মৃত রোগীর আত্মীয়দের সঙ্গে মেডিকেল কলেজের নিরাপত্তারক্ষীদের।বুধবার সকাল হতেই কালিয়াচক থেকে আসা মৃত রোগীর প্রচুরআত্মীয়রা মেডিকেল কলেজে হামলা চালিয়ে ব্যাপক ভাঙচুর শুরু করে দেয়। আত্মিয়রা।এদিকে মৃত রোগীর পরিবারে তরফে একটি অভিযোগ জানানো হয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ও ইংরেজবাজার থানায়।রোগীর আত্মীয়রা যেভাবে সরকারি সম্পত্তি নষ্ট করেছে তা নিয়ে পুলিশের কাছে অভিযোগ জানায় হসপিটাল তরফে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here