রাজ্য সরকারের সিদ্ধান্ত # শিক্ষক নিয়োগে আর ইন্টারভিউ নয় # হাইকোর্টের নির্দেশে আপার প্রাইমারির নতুন নিয়োগ প্রক্রিয়ায় টেটের নম্বর ও শিক্ষাগত যোগ্যতার ভিত্তিতেই নিয়োগ হবে # ইন্টারভিউ নেওয়া যাবে না # বেঙ্গল ওয়াচের জন্য কলম ধরলেন বিশিষ্ট সাংবাদিক শ্যামলেন্দু মিত্র

0
122
# বেঙ্গল ওয়াচের জন্য কলম ধরলেন বিশিষ্ট সাংবাদিক শ্যামলেন্দু মিত্র #
।।।।।।।।।।৷  শ্যামলেন্দু মিত্র  ।।।।।।।।।।
শিক্ষক নিয়োগে আর ইন্টারভিউ নয়।
টেটে পাশ করলেই  প্রাপ্ত নম্বর ও শিক্ষাগত মানের ভিত্ততে তৈরি মেধা তালিকা অনুযায়ী সর্বস্তরে শিক্ষক নিয়োগ হবে।
কারণ,  ইন্টারভিয়ের নামে দুর্নীতির  ভুরি ভুরি অভিযোগ ওঠে।
ইন্টারভিউয়ের নম্বর পেনসিলে দিতে বাধ্য করা হয় পরীক্ষকদের।
 পেন্সিলের নাম্বার মুছে নম্বর বাড়ানো কমানোর অভিযোগ ওঠে।
শেষ পর্যন্ত কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি মৌসুমী  ভট্টাচার্য দীর্ঘ শুনানির পর আপার প্রাইমারির নিয়োগ প্রক্রিয়া বাতিল করে নতুনভাবে গোড়া থেকে ফের নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু করার আদেশ দিয়েছেন।
সেই প্রক্রিয়া তিনি শুরু করতে বলেছেন নতুন বছরের  ৪ জানুয়ারি থেকে।
 রাজ্য সরকারের নতুন নিয়ম অনুযায়ী ডিসেম্বর থেকে ইন্টারভিউ তুলে দেওয়ার যে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ হয়েছে তা কার্যকর  হবে আপার আপার প্রাইমারির নতুন নিয়োগ প্রক্রিয়া থেকেই।
 ইন্টারভিউ বাতিল করে সরাসরি টেটের নম্বরের ভিত্তিতে শিক্ষক নিয়োগের কথা সরকারিভাবে ঘোষণা করে  বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে রাজ্য সরকার।
প্রাথমিক থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পর্যন্ত কোনও স্তরেই শিক্ষক নিয়োগে আর ইন্টারভিউ প্রক্রিয়া থাকছে না।
নিয়োগ হবে শুধুমাত্র লিখিত পরীক্ষায় প্রাপ্ত নম্বরের ভিত্তিতে।
 প্রাথমিক, উচ্চ প্রাথমিক মাধ্যমিক এবং উচ্চমাধ্যমিক স্তরে আগে যে নিয়োগ প্রক্রিয়া ছিল তা নিয়ে বিস্তর অভিযোগ ওঠে।
 ইন্টারভিউতে পরীক্ষকরা পেনসিলে নম্বর দিয়ে পরে তা মুছে বাড়ানো হয়েছে বলে ভুরিভুরি অভিযোগ ।
আদালতের শরণাপন্নও হয় বহু পরীক্ষার্থী।
রাজ্যের স্কুলগুলিতে দ্রুততার সঙ্গে শিক্ষক নিয়োগের কথা ইতিমধ্যে ঘোষণা করেন শিক্ষামন্ত্রী ড.পার্থ চট্টোপাধ্যায়।
১) ২৬ ফেব্রুয়ারি ইন্টারভিউ বাতিলের নতুন নির্দেশিকা প্রকাশ করেছে স্কুল শিক্ষা দপ্তর।
২) এনসিটিই-র নিয়ম মেনেই শিক্ষক নিয়োগ করা হবে।
৩) তফসিলি জাতি ও উপজাতি প্রার্থীদের কোন ফি দিতে হবে না।
৪) কোনও পরীক্ষার্থী তার উত্তরপত্র চ্যালেঞ্জ করতে চাইলে তা তিন বছরের মধ্যে করতে হবে।
৫) টেট-এ ইংরেজি এবং মাতৃভাষার ক্ষেত্রে জোর দেওয়া হবে।
আগামী বছর রাজ্যে বিধানসভা ভোট।
তার আগেই হাজার হাজার পদে শিক্ষক নিয়োগের কাজ শেষ করতে চায় রাজ্য সরকার।
ইন্টারভিউতে কেউ যাতে স্বজনপোষণের অভিযোগ আনতে না পারেন তা নিশ্চিত করতে এই প্রক্রিয়া তুলে দিয়েছে রাজ্য সরকার।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here