বাবা মা পরিত্যক্ত,বাধ্য হয়েই অন্ধ দিদার সাথে ভিক্ষাবৃত্তি তিন শিশুর,পাশে দাঁড়ালো পঞ্চায়েত

0
42

তারাশঙ্কর গুপ্ত ,বাঁকুড়া:মা অন্য কাউকে বিয়ে করে বেপাত্তা বছর দুয়েক।বাবা ও দায়িত্ব না নিয়ে অনত্র চলে গেছে।কিন্তু তিনটি শিশুকে ফেলে দিতে পারেননি দিদা তুলসী বাগ্দী (৬৫)।তিনি পাত্রসায়রের বেলুট রসুলপুর পঞ্চায়েতের আঁতড়া গ্রামের বাসিন্দা।

কিন্তু কোন রোজগার নেই,শিশুদের খাওয়াবেন কি?বাধ্য হয়েই ভিক্ষা করতে হয় তাকে। বিগত দুবছর চোখে দেখতে ও পাননা।তাই নাতি গুলি তার সঙ্গে যায়। নিদারুণ কষ্ট আর দারিদ্র্যে দিন কাটাচ্ছিল তারা। শিশু গুলির গায়ে শতচ্ছিন্ন পোশাক। যে বাড়িটিতে তারা থাকে সেটি ও ভগ্নপ্রায়।

অবশেষে শিশু গুলির এই নিদারুণ কষ্টের কথা এলাকার ই এক প্রাথমিক শিক্ষক জানান পঞ্চায়েত প্রধান তাপস বারি কে।তিনি সত্বর পৌঁছে যান তুলসী বাগ্দীর বাড়িতে।শিশু গুলিকে শীত বস্ত্র তুলে দেন।কয়েক দিনের খাবার ও দিয়ে আসেন তিনি। একইসঙ্গে তিনটি শিশুকে সোনামুখীর এক অনাথ আশ্রমের সাথে যোগাযোগ করে পড়াশুনার বন্দোবস্ত করেন তিনি।

বেলুট রসুলপুর পঞ্চায়েতের প্রধান তাপস বারি জানান মঙ্গল হাজরা ও সুধা হাজরা নামে এক দম্পতি তাদের তিন সন্তান বিকাশ(৮) মিলন(৬) এবং বিউ(৩) কে তাদের দিদার কাছে ছেড়ে অনত্র চলে যায়। সহায় সম্বলহীন বৃদ্ধা শিশু গুলি র জন্য ভিক্ষা করছিলেন আমরা জানতে পেরে তাদের পাশে দাঁড়িয়েছি।ওনাদের জন্য একটি ঘরের ও ব্যবস্থা করা হবে।

পঞ্চায়েত প্রধানের এই সহমর্মীতায় খুশি বৃদ্ধা তুলসী বাগ্দী। দুহাত তুলে আশীর্বাদ করেছেন প্রধানকে। খুশি গ্রামের মানুষ ও।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here