প্রাক্তন ক্রিকেটার সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় ও  তৃণমূল মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারির বিজেপিতে  যোগদানের জল্পনা জিইয়ে রাখলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ # সরাসরি এই বিষয়ে কোনও উত্তর না দিয়ে অমিত শাহ বলেন, শুধুমাত্র দু’জনের নামই না, তালিকা আরও অনেক বড়

0
170

নিজস্ব সংবাদদাতা # প্রাক্তন ক্রিকেটার সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় ও  তৃণমূল মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারির বিজেপিতে  যোগদানের জল্পনাও জিইয়ে রাখলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ।

সরাসরি এই বিষয়ে কোনও উত্তর না দিয়ে অমিত শাহ বলেন, শুধুমাত্র দু’জনের নামই না, তালিকা আরও অনেক বড়।

দু’দিনের সফরে কলকাতায় অমিত শাহ শুক্রবার দ্বিতীয় দিনে ঠাসা কর্মসূচি শেষ করে আজ কলকাতায় সাংবাদিক বৈঠকে অমিত শাহ  তৃণমূল সরকারকে একের এক বাক্যবাণে বিদ্ধ করেন  ।

অমিত শাহ বলেন, মানুষের কোনও আশাই পূরণ করেনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার । মা-মাটি-মানুষের সরকারের স্লোগান এখন বদলে গিয়ে তুষ্টিকরণের স্লোগানে পরিণত হয়েছে । ১০ বছর ধরে শুধু তোষণের রাজনীতি হয়েছে ।

তিনি বলেন, বাংলার মানুষ কংগ্রেসকে সুযোগ দিয়েছেন । বামপন্থীদের বারবার সুযোগ দিয়েছেন । মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে দু’বার সুযোগ দিয়েছেন । আমাদের একবার সুযোগ দিন । পাঁচ বছরে সোনার বাংলা গড়ে দেব ।

অমিত শাহ বলেন, সব রাজ্য সেখানকার অপরাধের রিপোর্ট দিচ্ছে । বাংলা থেকে দেওয়া হচ্ছে না । এনসিআরবি রিপোর্ট পাঠানো কেন হচ্ছে না!   ২০১৮ সালের পর আর রিপোর্ট পাঠাচ্ছে না রাজ্য । অ্যাসিড আক্রান্তে ঘটনায় বাংলা শীর্ষে । কতজন অভিযুক্তকে সাজা দেওয়া সম্ভব হয়েছে ?

তিনি আরও বলেন, কেন্দ্রীয় প্রকল্পের রূপায়ণে সবথেকে খারাপ অবস্থায় রয়েছে রাজ্য । আসন্ন নির্বাচনে আমরা ২০০+  আসন পাব রাজ্যে । তৃণমূল শাসনের অবসান ঘটবে । মানুষের আশীর্বাদ আমাদের সঙ্গে রয়েছে ।

একুশের বিধানসভা নির্বাচনে বাংলায় বিজেপির মুখ্যমন্ত্রীর মুখ কে হবেন তা নিয়েও  দলের অবস্থান স্পষ্ট করেন অমিত শাহ বলেন,  বহু নির্বাচনে কোনও মুখ ছাড়াই লড়েছে । বাংলায় দলের মুখ শীর্ষ নেতৃত্ব ঠিক করবে ।

অমিত শাহ বলেন,  বাংলায় তোষণের রাজনীতি চলছে। একই আইনের তিন রকম ব্যাখ্যা হচ্ছে পশ্চিমবঙ্গে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শাসনে প্রশাসনিক অবক্ষয়ের নতুন যুগের সূচনা হয়েছে। উনি প্রশাসনের সম্পূর্ণ রাজনীতিকরণ করেছেন। রাজনীতির অপরাধীকরণ করেছেন। আর দুর্নীতিকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিয়েছেন। সম্ভবত আর কোনও রাজ্যে  এই তিনটি জিনিস একসঙ্গে ঘটেনি। এর মধ্যে একটাও কোথাও ঘটে থাকলে রাজ্যের পতনের জন্য তা দায়ী থাকত। এখানে তিনটে জিনিই মমতাদি খুব সফল ভাবে চালু করেছেন। করোনা ও আমফানের ত্রাণেও তৃণমূল দুর্নীতি করতে ছাড়েনি।

শাহের বক্তব্য, তোষণের ফলে বাংলার বিপুল অংশের জনগণের মনে তাঁরা দ্বিতীয় শ্রেণির নাগরিক কি না সেই প্রশ্ন জাগতে শুরু করেছে। তোষণ এমন জায়গায় পৌঁছেছে যে বাংলায় তিন রকমের আইন চালু হয়েছে। এক ধরণের আইন নিজের ভাইপোর জন্য। আরেক ধরণের আইন ভোটব্যাঙ্কের জন্য। আর সাধারণ মানুষের জন্য আলাদা।

 

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here