পাঞ্জাবের কৃষক বিক্ষোভকে সমর্থন পাকিস্তানের # শত্রুদেশের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী চৌধুরি ফাওয়াদ হোসেনের টুইট # ভারতে তৈরি হওয়া পরিস্থিতি # বিশ্বের পাঞ্জাবিরা কষ্ট পাচ্ছেন # তাদের ভুলের তারাই মাশুল গুনছেন # মহারাজা রঞ্জিত সিংয়ের  মৃত্যুর পর থেকে পাঞ্জাবিদের পরিস্থিতি ক্রমশ খারাপ # বেঙ্গল ওয়াচের জন্য কলম ধরলেন বিশিষ্ট সাংবাদিক শ্যামলেন্দু মিত্র

0
36
# বেঙ্গল ওয়াচের জন্য কলম ধরলেন বিশিষ্ট সাংবাদিক শ্যামলেন্দু মিত্র #
।।।।।।।।।  শ্যামলেন্দু মিত্র ।।।।।।।।।
পাঞ্জাবের কৃষক বিক্ষোভকে সমর্থন জানালো পাকিস্তান।।।।
পাকিস্তানের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী চৌধুরি ফাওয়াদ হোসেন টুইট করে বলেছেন………………………..
১) ভারতে তৈরি হওয়া পরিস্থিতির জন্য গোটা বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে থাকা পাঞ্জাবিরা কষ্ট পাচ্ছেন।
২) আসলে একসময়ে তাঁরা যে ভুল করেছিলেন আজ তারই মাশুল গুনছেন।
৩) মহারাজা রঞ্জিত সিংয়ের  মৃত্যুর পর থেকে পাঞ্জাবিদের পরিস্থিতি ক্রমশ খারাপ হচ্ছে।
৪) যে পাঞ্জাবিরা একসময়ে নিজেদের রক্তের বিনিময়ে স্বাধীনতা এনেছিলেন আজ নিজেদের ভুলেই তাঁদের এই হয়।
Tweet of Pakistan’s Science & Technology Minister
Chowdhury Fawad  Hossein ………………………..
Punjabis all over the world are in pain on what’s happening in India, since Maharaja Ranjeet Singh death Punjabis are under siege one way or other.
Punjabis paid price of independence by their blood, Punjabis are victim of their own follies #FarmersProstests #Punjab
ভারতে কোনও বিক্ষোভ বা আন্দোলন হলেই খুব আনন্দ পায় প্রতিবেশী দেশ পাকিস্তান।
বিভিন্নভাবে উসকানি দিয়ে উত্তেজনা বাড়ানোর চেষ্টা করে।
 কৃষক আন্দোলনের জেরে ভারতের রাজধানী দিল্লিতে যখন প্রবল বিক্ষোভ হচ্ছে তখনও নিজেদের মনের কামনা মেটানোর চেষ্টা করছে পাকিস্তান।
পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান বা তাঁর মন্ত্রিসভার সদস্য চৌধুরি ফাওয়াদ হোসেন , প্রত্যেকেই চেষ্টা করছেন কীভাবে পাঞ্জাবের বিক্ষোভকারী কৃষকদের উসকে গন্ডগোল আরও বাড়ানো যায়।
আর তাই সপ্তাহখানেক আগে পাকিস্তানের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী চৌধুরি ফাওয়াদ হোসেন   যেভাবে টুইট করে কৃষক বিক্ষোভকে গুজরাটিদের বিরুদ্ধে পাঞ্জাবিদের লড়াই বলে চিহ্নিত করার চেষ্টা করেছিলেন, রবিবারও ফের সেই কাজ করলেন।
গত বৃহস্পতিবার প্রায় একই চেষ্টা করেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান……………….
১) ভারতকে উগ্রবাদী দেশ বলে অভিহিত করে এই  গণতান্ত্রিক পরিবেশকে তারা ধ্বংস করার চেষ্টা চালাচ্ছে বলেও অভিযোগ করে
ন।
২) নয়াদিল্লির এই চেষ্টা গোটা বিশ্বের পক্ষে বড় বিপদ বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
৩) ভারতের  এই অঞ্চলে ভারত যেভাবে গণতান্ত্রিক পরিবেশকে ধ্বংস করার চেষ্টা করছে তার বিষয়ে আন্তর্জাতিক সংগঠনগুলিকে বারবার ওয়াকিবহাল করার চেষ্টা করেছে পাকিস্তান।
৪) তারপর মিথ্যে খবরের সংস্থা ও থিঙ্ক ট্যাঙ্কদের মাধ্যমে নিজেদের কাজ চালিয়ে যাচ্ছে ভারত।
এতে পরিস্কার হল, পাঞ্জাবের কৃষক বিক্ষোভে পাকিস্তানের মদত আছে।
জম্মু-কাশ্মীর থেকে ৩৭০ ধারা বিলোপের পর পাকিস্তান আর আগের মতো সেই রাজ্যে সন্ত্রাসবাদী কাজ চালাতে না পেরে পাঞ্জাবের কৃষক বিক্ষোভকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার  করছে।
অতীতে পাকিস্তানের প্রত্যক্ষ মদতে পাঞ্জাবে খালিস্তান আন্দোল হয়।
পাঞ্জাবের ধনী কৃষকদের বিক্ষোভ কার্যত রাজনৈতিক আন্দোলনে পরিণত।
কৃষি পণ্যের খোলা বাজারেই আপত্তি পাঞ্জাবের ধনী কৃষকদের।
তারা ফসল উৎপাদন  করে, আবার তারাই মাণ্ডিতে ব্যবসা করে।
সেই মনোপলি ব্যবসায় আঘাত দিয়েছে নতুন কৃষি আইন।
নতুন কৃষি আইনে দেশের যেকোনও প্রান্তের ব্যবসায়ী যে কোনও প্রান্তে গিয়ে ফসল কিনতে পারবে।
এতেই আপত্তি পাঞ্জাবের ধনী কৃষক-ব্যবসায়ীদের।
পাঞ্জাবে জমির সিলিং অর্থাৎ  উর্ধসীমা নেই।
ফলে হাজার হাজার হেক্টর জমির মালিক পাঞ্জাবের কৃষকরা।
তারাই এখন তাদের মনোপলি ব্যবসা ধরে রাখতে রাজনৈতিক মদতে  ৬ মাসের খাদ্য নিয়ে ট্রাক্টরে এসে দিল্লি সীমান্তে বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here