উপেক্ষার অন্ধকারেই দিন কাটাচ্ছিল

0
36

নিজস্ব প্রতিনিধি : তারাশঙ্কর গুপ্ত,বাঁকুড়া: স্বাধীনতার পর এত বছর কেটে গেল ও বেলিয়াতোড়ের এই আদিবাসী গ্রামে ছিলনা টিউবওয়েল,ছিল না আই সি ডি এস সেন্টার বা প্রাথমিক বিদ্যালয়।কিছু দিন আগেই সংবাদ মাধ্যমকে নিজেদের কষ্টের কথা জানান এই গ্রামের সরস্বতী মুর্মু,শিবনাথ হাঁসদা।

বাঁকুড়ার বেলিয়াতোড় পঞ্চায়েতের আদিবাসী গ্রাম সামন্তমারায় মঙ্গলবার সকাল সকাল সেই গ্রামে পৌঁছে গেলেন বাঁকুড়ার জেলা সভাধিপতি মৃত্যুঞ্জয় মুর্ম্মু।পৌঁছে দিলেন উন্নয়নের সম্ভার। বাড়ি বাড়ি ঘুরে খাটিয়ায় বসে সবার সঙ্গে আদিবাসী ভাষায় কথা বললেন তিনি।

প্রত্যেক পরিবারের কাছে শুনলেন সুখ-দুঃখের কথা।জঙ্গল ঘেরা এই প্রত্যন্ত গ্রামে পৌঁছে যাবেন জেলা পরিষদের একজন সর্বোচ্চ পদাধিকারী তা স্বপ্নেও ভাবতে পারেনি সামন্তমারার মানুষ।

আদিবাসী গ্রামে গিয়ে তাদের খাটিয়ায় বসে অভাব অভিযোগের কথা শুনে জেলাপরিষদ সভাধিপতি মৃত্যুঞ্জয় মুর্ম্মু বোঝালেন তিনি সাধারণ মানুষের পাশেই আছেন। দায়িত্ব গ্রহণের কয়েক দিনের মধ্যেই এই উদ্যোগে খুশি সামন্তমারা গ্রামের মানুষ ।

গ্রামে পৌঁছে সভাধিপতি মৃত্যুঞ্জয় মুর্ম্মু পানীয় জলের ব্যবস্থা করলেন । এদিনই শুরু হয়ে গেল অগভীর নলকূপ তৈরীর কাজ। শিক্ষা, স্বাস্থ্য, পানীয় জল সব কিছু থেকেই এখনো বঞ্চিত গ্রামের পঁচিশটি পরিবার একথা মনে নিলেন তিনি ।শীঘ্রই যাতে এই পরিবার গুলি সরকারী সাহায্যের পাশাপাশি বনজ সম্পদকে কাজে লাগিয়ে স্বনির্ভর হতে পারে সে ব্যাপারে সচেষ্ট হবেন তিনি। এমনটাই জানান সভাধিপতি।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here